র‌্যাবের সাবেক অধিনায়ক হাসিনুরকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

Jagoran- RAB, former captain, Hasanul,
ad

জাগরণ ডেস্ক: র‌্যাব-৭ এর সাবেক অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল হাসিনুর রহমানকে (অব.) ডিবি পরিচয়ে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার। যদিও তাকে তুলে নেয়ার বিষয়টি ডিবি পুলিশ অস্বীকার করেছে।

বুধবার (৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টায় পল্লবী থানায় জিডি করা হয়েছে। এর আগে রাত ১০টার দিকে পল্লবীতে নিজ বাসার সামনে থেকে তাকে মাইক্রোবাসে করে তুলে নেয়া হয়।

পল্লবী থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, হাসিনুর রহমান তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। সেটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আমি যতটুকু শুনেছি তার সঙ্গে পূর্বে জঙ্গিদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ছিল। এসব বিষয়ও তদন্ত করা হচ্ছে।

হাসিনুর রহমানের শ্যালক ওয়াকিল আহমেদ জানান, তিনি তার এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাচ্ছিলেন। বাসার নিচে ডিবি পুলিশের জ্যাকেট পরা কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, হাসিনুর রহমান সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় দণ্ডিত হয়ে পাঁচ বছরের জেল খেটে ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। হাসিনুর এক সময় র‌্যাব-৫ ও র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক ছিলেন। তিনি বিজিবিতেও বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

হাসিনুর রহমানের শ্যালিকা বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই সময় তার শ্যালিকা হিজবুত তাহরীরের নারী ইউনিটের একজন শীর্ষস্থানীয় নেত্রী ছিলেন।

২০০৯ সালের অক্টোবরে হিজবুত তাহরীর নিষিদ্ধ ঘোষণার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র শিক্ষক ও হিজবুহ তাহরীরের উপদেষ্টা গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার হন। তার জবানবন্দী থেকেই হাসিনুর রহমানের জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া যায়। তখন হাসিনুর রহমান র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক ছিলেন।

র‌্যাবের হাতে হিজবুত তাহরীরের বেশ কয়েকজন সদস্য আটক হওয়ার পর র‌্যাবও নিশ্চিত হয় হাসিনুর রহমানের সাথে হিজবুত তাহরীরের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

২০১১ সালের প্রথম দিকে তাকে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখায় ডেকে পাঠানো হয়। সে সময় গোয়েন্দা শাখার প্রধান ছিলেন লে. কর্ণেল জিয়াউল আহসান। তিনি সাংবাদিকদের কাছে হাসিনুর রহমানের হিজবুহ তাহরীর সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করে। এরপরেই তাকে র‌্যাব-৭ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

ad