সাতক্ষীরায় পৃথক ধর্ষণ মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

Court
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় পৃথক দুইটি ধর্ষণ মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হোসনে আরা আক্তার মামলা দুইটির রায় ঘোষণা করেন।

আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি তালা উপজেলার আটরই গ্রামের মোকাম মোড়লের ছেলে নুর ইসলাম প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের সময় স্থানীয়দের হাতে আটক হন। পরে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে পালিয়ে যায় নুর ইসলাম। এ ঘটনায় ওই প্রতিবন্ধী নারীর ভাই নুর ইসলামসহ তার সহযোগি খায়রুল মোড়ল ও নাজমা বেগমের নামে মামলা দায়ের করেন।

এ মামলায় আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিনমাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। তবে, অপর দুই আসামীকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা গ্রামের কাজী গিয়াস উদ্দিনের ছেলে হাফিজুর রহমান তার প্রতিবেশী শেখ মারুফ আহমেদের বাড়িতে কর্মরত কাজের মেয়েকে কু-প্রস্তাব দিত। ২০০৯ সালের ১৩ মার্চ বিষয়টি হাফিজুর রহমানের বাবা-মাকে জানালে তারা ওই মেয়ের সাথে ছেলেকে বিয়ের আশ্বাস দেন। এই প্রশ্রয় পেয়ে হাফিজুর রহমান ওই মেয়েকে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করতে থাকে। এতে মেয়েটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে হাফিজুর রহমান তাকে বিয়ে না করে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ২০০৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মেয়েটি বাদী হয়ে হাফিজুর রহমানের নামে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। এ মামলায় আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি জহুরুল হায়দার বাবু জানান, দুই মামলার আসামীই পলাতক রয়েছে।

ad