আমতলীতে সাবেক ইউপি সদস্য হত্যার রহস্য উন্মোচন

borguna map
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মো. কাছেম হাওলাদার হত্যার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। মামলার প্রধান আসামী মো. নুরুল ইসলাম ঝন্টু হাওলাদার হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান আসামী হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। আদালতের বিচারক মো. হুমায়ূন কবির তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, কৃষ্ণনগর গ্রামের কাছেম হাওলাদারের বাড়িতে গত বছর ২৯ নভেম্বর গভীর রাতে ১৪-১৫ জনের একটি ডাকাতদল আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরের জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় ওই বাড়িতে থাকা লোকজন চিৎকার করলে ডাকাতরা গৃহকর্তা কাছেম হাওলাদার (৬৫), তার স্ত্রী, শাশুড়ি, কন্যা, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীকে কুপিয়ে মারাত্তকভাবে জখম করে।

পরে ডাকাতরা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে তিন ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত গৃহকর্তা কাছেম হাওলাদারকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় গত বছর ৩০ নভেম্বর আমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

ঘটনার ১৫ দিন পর গত বছর ১৪ ডিসেম্বর ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কাছেম হাওলাদারের মৃত্যু হয়। এর আড়াই মাস পর গত সোমবার রাতে কুকুয়া ইউনিয়নের আজিমপুর বাজার থেকে ডিবি পুলিশ কাছেম হত্যা মামলার প্রধান আসামী নুরুল ইসলাম ঝন্টুকে আটক করে। আজ সকালে ডিবি পুলিশ তাকে আমতলী থানায় সোপর্দ করেছে।

পরে পুলিশ এ মামলায় প্রধান আসামী ঝন্টুকে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করার পর সেখানে ঝন্টু ঘটনায় সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমতলী থানার এসআই রাসেল মাহমুদ বলেন, হত্যা মামলার আসামী নুরুল ইসলাম ঝন্টুকে আদালতে প্রেরণ করার পর সে হত্যার ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে।

আমতলী থানার ওসি মো. শহীদ উল্যাহ বলেন, আসামী ঝন্টুর তথ্যানুসারে এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

ad