এখনো নিখোঁজ মোরেলগঞ্জের পুষ্পিতা, সন্দেহ মায়ের দিকে

Five days, missing, student, Pushpita
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচদিন পরেও সন্ধান মেলেনি ১২৩নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী পুষ্পিতা দাসের। নিখোঁজ পুষ্পিতার সন্ধান না পেয়ে অজানা আশঙ্কায় ভেঙে পড়েছে তার পরিবার।

স্কুলছাত্রী পুষ্পিতা নিখোঁজ হওয়ার পেছনে তার সাবেক স্ত্রী বিথীকা লীলের হাত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন পুষ্পিতার বাবা স্বপন কুমার দাস ও তার পরিবারের সদস্যরা।

নিখোঁজ পুষ্পিতার বাবা খুলনার ইকবাল নগরের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী স্বপন কুমার দাস জানান, স্ত্রী বিথীকা শীল তাকে তালাক দিয়ে গত দুই বছর আগে তার পরকীয়া প্রেমিক খুলনার ছাচিঁবুনিয়া এলাকার তাপস মন্ডলকে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে।

তিনি জানান, তার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদের কয়েক মাস পরে সাবেক স্ত্রী বিথীকা খুলনার ইকবাল নগর এলাকা থেকে দুই-দুইবার পুষ্পিতাকে নিজের কাছে নিয়ে যেতে চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। এরপর থেকে তার মেয়ের অনাগত ভবিষ্যতের কথা ভেবে পুষ্পিতাকে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের সেরেস্তাদারবাড়ি এলাকায় বসবাসকারী ছোট ভগ্নিপতি অসিত কুমারের বাসায় রেখে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।

স্বপন জানান, সাবেক স্ত্রী বিথীকার সাথে তার প্রেমিক (বর্তমান স্বামী) তাপস মন্ডলের সাথেও সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। তাই নিঃসঙ্গতা ভুলতে অথবা অন্য কোনো অসৎ পরিকল্পনায় তাকে ফাঁসাতে মেয়ে পুষ্পিতাকে কৌশলে নিয়ে গিয়ে কব্জা করতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

মোরেলগঞ্জ থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আবু সুফিয়ান বলেন, স্বপন দাসের সাবেক স্ত্রী বিথীকার বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করাসহ নিখোঁজ পুস্পিতার সন্ধানে সর্বাত্বক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বিথীকার অবস্থান জানতে পারলে অকেটা পরিস্কার হয়ে যাবে আসল রহস্য।

গত সোমবার (৭ মে) বেলা ১২টার দিকে মোরেলগঞ্জ ১২৩নং মডেল সরকারি বিদ্যালয়ে থেকে পুষ্পিতা নিখোঁজ হয়। পুষ্পিতা সেরেস্তাদারবাড়ি এলাকায় তার ফুপা অসিত কুমারের বাসায় থেকে লেখাপড়া করতো।

ad