কলারোয়ায় দুই ছাত্রীর আত্মহত্যা

sucide
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। ছাত্রীদের মধ্যে একজন স্কুল শিক্ষার্থী। অপরজন অনার্সের প্রথম বর্ষের ছাত্রী, তিনি বিবাহিত এবং সাতমাসের কন্যা সন্তানের জননী।

রবিবার (১৮ জুন) রাতে এই পৃথক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

লেখাপড়া নিয়ে বকাঝকা করায় সাতক্ষীরার কলারোয়ার হিজলদী গ্রামে স্কুল ছাত্রী সোনিয়া খাতুন (১২) আত্মহত্যা করে।

সোনিয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদী গ্রামের আহসানুর রহমানের মেয়ে এবং চন্দনপুর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী।

কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব কুমার দেবনাথ জানান, বাবা-মা পড়ালেখার জন্য বকা দেয়ায় অভিমানে সোনিয়া গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি অপমৃত্য মামলা হয়েছে।

এদিকে, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী আঞ্জুয়ারা খাতুন রানু (২২) গলায় শাড়ি জড়িয়ে আত্মহত্যা করেন।

রানু যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের নির্বাসখোলা গ্রামের কওছার আলীর মেয়ে এবং দেয়াড়া ইউনিয়নের পাটুলিয় গ্রামের মুদিদোকানী সোহরাব হোসেনের স্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই হাসানুজ্জামান বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রানুর মৃত্যুটি রহস্যজনক। রানুর স্বামী বলছে কোন গন্ডগোল হয়নি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে মেধাবী একজন শিক্ষার্থী শুধু শুধু কেন আত্মহত্যার পথ বেছে নেবে?

রানুর স্বামী বলেন, রাতে সেহেরী খেয়ে স্বাভাবিকভাবে ঘুমিয়ে পড়েন সন্তানসহ তারা তিনজন। ভোরে উঠে স্ত্রীর শাড়ী দিয়ে ঝোলা লাশ দেখে তিনি অবাক হন।

ad