কালীগঞ্জে চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজার মৃত্যু

লালমনিরহাট
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে যাতায়াতের রাস্তাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজা কোহিনুর হোসেনের (৩২) মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মা ও ভগ্নিপতিসহ আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের লতাবর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের চাচা জাবেদ আলীকে (৪৮) আটক করে পুলিশ।

মৃত কোহিনুর হোসেন লতাবর গ্রামের তসলিম হোসেনের ছেলে। তিনি ঢাকার পোশাক শ্রমিক ছিলেন।

আহতরা হলেন- নিহতের বাবা তসলিম হোসেন, মা কুলসুম বেগম ও ভগ্নিপতি জিল্লুর হোসেন। বর্তমানে তারা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানাগেছে, কোহিনুরের বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে তারই চাচা জোবেদ আলী ও আনছার আলীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর আগে ওই রাস্তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

কোহিনুর ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে আজ ওই রাস্তার সমস্যা সমাধানের জন্য চাচাদের নিয়ে আলোচনায় বসে। এ সময় তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে তাদের মাঝে সংঘর্ষ বাধে। এতে জোবেদ ও আনছার আলীদের লাঠির আঘাতে ঘটনাস্থলেই কোহিনুর হোসেনের মৃত্যু হয়।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং লাশ উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। একইসঙ্গে তারা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কালীগঞ্জ হাসপাতালে নিলে সেখানকার কর্তব্য চিকিৎসক তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

কালীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, এ ঘটনায় বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ad