গুরুদাসপুরে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

Gurudaspur
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: কলেজে সংরক্ষিত ও সাধারণ তহবিলের প্রায় ২১ লাখ টাকা আত্মসাত ও চাকরির মেয়অদ উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও স্বপদে বহাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করা অভিযোগে নাটোরের গুরুদাসপুরের রোজী মোজাম্মেল মহিলা অনার্স কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উক্ত কলেজে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

কর্মসূচি শেষে শিক্ষকদের পক্ষে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. মাজেম আলী স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রদান করা হয়েছে।

স্বারক লিপিতে উল্লেখ করা হয়, চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অধ্যক্ষ ইব্রাহীম স্বপদে বহাল থেকে কলেজে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম করে যাচ্ছেন। তিনি জুনিয়র শিক্ষক মায়ারানী চক্রবর্তীকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিয়েছেন নিয়মবহির্ভূতভাবে। ইব্রাহীম শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচরণ করেন। এছাড়া, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে দুই শিক্ষকের বেতন ভাতা বন্ধ রাখার অভিযোগও করা হয়।

শিক্ষকদের পক্ষে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক এ এইচ এম একরামুল হক খোকন, রুহুল করিম আব্বাসী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. মজিবর রহমান, উপাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, প্রভাষক জয়নাল আবেদীন দুলাল প্রমূখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, কলেজে এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী রয়েছেন ৩২ জন। এছাড়া নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ৬০ জন। তবুও তিনি নতুন করে অনার্স বিষয়ে শিক্ষাক নিয়োগের জন্য আর্থিক লেনদেন করেছেন। এখন মেয়াদ শেষ হলেও তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। বরং কলেজের সহকারী অধ্যপক মায়া রানী চক্রবর্তীকে স্থানাপূর্ণ পদে নিয়োগ দেন। যা আইন পরিপন্থী।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মো. ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ৭ জুলাই পর্যন্ত অধ্যক্ষ হিসেবে তাঁর চাকরির মেয়াদ ছিল। টাকা আত্মসাত হয়ে থাকলে কমিটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।

তিনি আরও বলেন, কলেজ পরিচালনা কমিটি অতিরিক্ত আরও দুই বছরের জন্য তার অধ্যক্ষের পদ বর্ধিত করেছেন। এ ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন হলেই অধ্যক্ষ হিসেবে চাকরিরত থাকতে পারবেন তিনি।

ad