ঘূর্ণিঝড় মোরা’র প্রভাবে বরগুনার ২৫ গ্রাম প্লাবিত

barguna amtali
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে সাগর ও পায়রা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বরগুনার আমতলী ও তালতলী উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের চর ও নিন্মাঞ্চলসহ ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই এলাকার প্রায় ২ হাজার পুকুর ও ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ মে) ঘূর্ণিঝড় মোরা’র প্রভাবে সাগর ও পায়রা নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩০ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আমতলী পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানাগেছে।

এদিকে, পানি বৃদ্ধি পেয়ে তালতলীর তেতুঁলবাড়ীয়া নামক স্থানের ১ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে তেতুলবাড়িয়া, নলবুনিয়া, আগাপাড়া ও মোয়াপাড়া গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই গ্রামের ২ হাজার পুকুর ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

তেতুলবাড়িয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, দু’মাস পূর্বে তেতুলবাড়ীয়ার ১ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয়নি। মোয়ার প্রভাবে সাগরে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই বাঁধ পুনরায় ভেঙে পানি প্রবেশ করে এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে চার গ্রামের প্রায় ২ হাজার পুকুরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

গাবতলী গ্রামের মো. ইসহাক হাওলাদার জানান, গাবতলী, লেমুয়া ও চরপাড়া তিনটি আবাসনের ৫২টি ব্যারাকে ৫২ পরিবার বসবাস করে। পায়রা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবাসন তলিয়ে ওই পরিবারগুলো দুর্ভোগে পড়েছে।

তালতলী মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামিম রেজা বলেন, তেতুঁলবাড়িয়ার ভাঙা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ দিয়ে পানি প্রবেশ করে ওই এলাকার পুকুর ও ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান মুঠোফোনে বলেন, তালতলীর তেতুঁলবাড়িয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাজ অল্প দিনের মধ্যেই শুরু হবে।

ad