ঝিনাইদহে যৌতুক মামলায় মেডিকেল অফিসার কারাগারে

Jagoran- Jhenaidah, dowry case, medical officer, jail,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: স্ত্রীর দেয়া যৌতুক মামলায় ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) টাঙ্গাইল আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবর টাঙ্গাইলের বটতলা আকুর টাকুর পাড়ার ডা. আনন্দ মোহন দাসের মেয়ে ডা. প্রিয়াংকা দাসের বিয়ে হয় ঝিনাইদহ শহরের বাঘাযতিন সড়কের মৃত নরেশ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থর সাথে।

বিয়ের সময় পার্থ ও তার পরিবার ২০ লাখ টাকা ও ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার যৌতুক দাবি করে। সে সময় মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাওয়ার ভয়ে প্রিয়াংকার পিতা ৫ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার যৌতুক দেয়। বিয়ের পর তাদের একটি ছেলে সন্তানের জন্ম নেয়।

এরপর থেকে স্বামী ও তার পরিবার ১৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার শুরু করে। টাকা না দওয়ায় প্রিয়াংকাকে তার ছেলেসহ বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়রের বরাবর অভিযোগ দিলে প্রসেনজিৎ ও তার পরিবার তাকে বাড়িতে ফেরত নেবে বলে আশ্বাস প্রদান করে।

কিন্তু এরপরও প্রিয়াংকা ও তার সন্তানকে তারা বাড়িয়ে ফিরিয়ে আনেনি। উপরন্তু তাদের ভরণ-পোষণ না দিয়ে ১৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিল। পরে ভুক্তভোগী ডা. প্রিয়াংকা দাস টাঙ্গাইল আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার আদালতে ডা. প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ আত্মসমর্পণ করলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।

ad