ডোমারের প্রধান সড়ক চলাচলের অযোগ্য

Domar, main road, ineligible,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারের প্রধান সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন শত শত দশ চাকার ট্রাক পঞ্চগড় থেকে ডোমার হয়ে চলাচল করায় প্রধান সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে বলে দাবি করেছেন নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হামিদুর রহমান।

তিনি জানান, দশ চাকার ট্রাক চলাচল করবে ন্যাশনাল হাইওয়ে রাস্তা দিয়ে। অথচ প্রতিদিন শত শত দশ চাকার ট্রাক ৪০-৬০ টন মাল নিয়ে ডোমার রুট দিয়ে চলাচল করছে। এই রাস্তাটি এভাবে তৈরি করা হয়নি। তাই রাস্তাটি ভেঙে গেছে।

এদিকে, ডোমারের প্রধান সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ডোমারবাসীকে। বিশেষ করে এমপির মোড় থেকে ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন পর্যন্ত রাস্তাটি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনেই এই রাস্তা দিয়ে মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় পথচারীদের।

ভারি যানবাহন তো দূরের কথা, অটোরিক্সা ও ভ্যান চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। এই রাস্তা দিয়ে উপজেলা, থানা, পৌরসভাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অফিসে যেতে হয়। ফলে মানুষজন মৃত্যু ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে রাস্তাটি দিয়ে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন রাস্তাটি সংস্কারের দাবিতে একাধিকবার আন্দোলন হলেও কোনো কাজে আসেনি।

বর্ষার পানিতে রাস্তাটির বেশিরভাগ জায়গা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক প্রশ্নের মুখে পড়েছে পৌরসভা ও সওজ কর্তৃপক্ষ।

পৌরসভা সওজের রাস্তা বলে দায়সারাভাবে এড়িয়ে চললেও সওজ কর্তৃপক্ষ বলছে আমরা বারবার পৌর প্রশাসনকে রাস্তার পাশের ড্রেন সংস্কার বা মেরামতের জন্য বললেও তারা কাজ না করায় বৃষ্টির পানি জমে রাস্তা নষ্ট হয়ে ভেঙে যাচ্ছে। ফলে জলাবদ্ধতায় থাকতে হচ্ছে পৌরবাসীকে।

রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে গত ২৫ এপ্রিল সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন হয় ডোমারে। আন্দোলনের ফলে গত ২৬ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার প্রধান সড়কটির সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন।

প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে সাময়িকভাবে রাস্তাটি মেরামত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ। তারা জানিয়েছে, আপাতত বর্ষা মৌসুমে সড়কটি চলাচলের জন্য এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রাস্তাটি সম্পূর্ণ মেরামতের জন্য মন্ত্রণালয়ে কাগজ পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হয়ে আসলে রাস্তাটি পুরো মেরামত করা হবে।

এদিকে, স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকারও দশ চাকার ট্রাকের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

ad