তালতলীতে ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে জমি বিক্রির চেষ্টা!

barguna amtali
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বরগুনার তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বাক্ষর জাল করে জমি বিক্রি চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনা জানার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌছিফ আহম্মেদ তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে মর্মে দলিল রেজিষ্টি না করার জন্য আমতলী সাব রেজিষ্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

জানাগেছে, তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে যমুনা আয়রন এ্যান্ড স্টীল মিলস নামে একটি কোম্পানী জমি ক্রয় করছে। সগির হাওলাদার, সোহরাফ জোমাদ্দার ও জসিম মৃধাসহ কয়েকজন ভুমিদস্যু চরপাড়া গ্রামের বিভিন্ন লোকের জমি রাখাইন অদিবাসীর দেখিয়ে ভুয়া আমোক্তারনামায় তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাছে অনুমতি পত্রের আবেদন না করে ওই তারিখে তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া অনুমতি পত্র তৈরি করে যমুনা আয়রন স্টীল মিলস এর আমতলী অফিসে জমা দেয়।

বিষয়টি জানতে পেরে জমির মালিক খবির মৃধা রাখাইন ওয়েন মং জমি বিক্রির অনুমতি পত্রটি যাচাই বাছাইয়ের জন্য তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ফটোকপিসহ আবেদন করেন। তালতলী ইউএনও তৌছিফ আহম্মেদ অনুমতিপত্রটি দেখে হতবাক হয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে মর্মে জমি বিক্রির দলিল রেজিষ্টি না করার জন্য আমতলী সাব রেজিষ্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, এ ধরণের অনুমতিপত্র যমুনা স্টীলস মিলস এর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার শামসুল আবেদীনের কাছে কিভাবে হস্তগত হয়েছে এর একটি পুর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রেরণের জন্য তাকে অনুরোধ করেছেন।

চরপাড়া যমুনা আয়রন স্টীল মিলস’র জমি ক্রয়ের এজেন্ট মো. সফিক মিয়া মুঠোফোনে বলেন, স্থানীয় সগির, সোহরাফ জোমাদ্দার ও জসিম মৃধা জমি বিক্রির ভুয়া অনুমতি পত্রটি দিয়েছেন।

ভুমি দস্যু সোহরাফ জোমাদ্দারের মুঠোফোনে (০১৭২৮৪৬৭৫৮২) বারবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌছিফ আহম্মেদ জানান, একটি চক্র নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় আমার স্বাক্ষর জাল করে রাখাইনদের জমি বিক্রির ভুয়া অনুমতি পত্র তৈরি করেছে। এ বিষয় তদন্ত শুরু করেছি।

ad