ধর্মের মা ডেকে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে প্রতারণা!

Religion's mother, cheating,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: ঝালকাঠির রাজাপুরের মানকি গ্রামের এছাহাক হাওলাদারের ছেলে মনির হাওলাদারের বিরুদ্ধে মঠবাড়ি গ্রামের দুবাই প্রবাসী আজগর আলীর স্ত্রী কহিনুর বেগমকে ধর্মের মা ডেকে বাসায় আসা যাওয়ার সুযোগ নিয়ে চেক, দলিল, সোনার গহনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উল্টো সাত লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার (১৬ মে) সকালে এ ঘটনায় কহিনুর বেগম রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এর আগে তিনি ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে কহিনুর বেগম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, মনির হাওলাদার তাকে ধর্মের মা ডেকে বাসায় আসা যাওয়া সুযোগে গত এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে কৌশলে ঘরের আলমারি খুলে কোর্ট ফাইলএ থাকা কহিনুরের স্বাক্ষরকৃত সোনালী ব্যাংকের ৩টি চেক, ৫টি জমির দলিল, ৪টি পর্চা, জাতীয় পরিচয়, মেয়ের জন্ম সনদ, ছেলের এসএসসির সনদ, আলমারির মধ্যে থাকা ৪০ হাজার টাকা, ২টি সোনার চেইন, ২ জোড়া কানের বালা, ১টি আংটিসহ মোট ৩ ভরি সোনার গহনা নিয়ে যায় এবং গোপনে সোনালী ব্যাংকের কহিনুরের একাউন্ট থেকে ১২ টাকা উত্তোলন করে।

বাড়িতে বেড়াতে এলে তার মেয়েকেও নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল মনির। কিন্তু তা প্রত্যাখান করলে মনির ওই মেয়ের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়। কিন্তু সুচতুর প্রতারক মনির কহিনুরের ছেলেকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত করে নানাভাবে হেয় করে।

পরে কহিনুর বিষয়টি বুঝতে পেরে এ ঘটনা ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন এবং মনিরের বিপক্ষে অবস্থান নিলে তার বিবাহিত মেয়ের বিরুদ্ধে এলাকায় নানা অপপ্রচার শুরু করে।

কহিনুর বেগম আরও অভিযোগ করেন, মনিরের কাছে থাকা ২টি চেকের মাধ্যমে বর্তমানে কহিনুরের কাছে সাত লাখ টাকা দাবি করে আসছে। অন্যথায়, কহিনুরের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মামলাসহ নানা হুমকি ও ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে।

নিরুপায় হয়ে কহিনুর বাদী হয়ে মনিরের বিরুদ্ধে ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে গত ৭ মে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনির হাওলাদারের মতামতের জন্য তার ব্যবহৃত নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তা রিসিভ করেনি।

রাজাপুর থানার এসআই ফিরোজ আলম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুয়ায়ী দলিল ও চেক উদ্ধারপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

ad