নরসিংদীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় গ্রেপ্তার ৯

Narsingdi, autorickshaw driver, murder, arrest 9,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নরসিংদী সদর উপজেলার শিলমান্দীতে অটোরিক্সা ছিনতাই ও অটোরিক্সা চালক হাবিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শনিবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল-মামুন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার রাঙ্গালিরকুটি এলাকার জহির আলী আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৮), গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার বাগিয়া (প্রেম নগর) এলাকার স্বপন ভূঁইয়ার ছেলে তুহিন (১৯), নরসিংদী শহরের মধ্য কাউরিয়া পাড়ার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে হৃদয় (২২), নরসিংদীর মনোহরদী থানার চালাকচর (গাংপাড়) এলাকার সাহাবুদ্দিনের ছেলে বুলবুল (২৫), নরসিংদীর মাধবদী থানার বড় গদাইরচর এলাকার কাউসারের ছেলে রনি (২৪)। বাকি চারজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

তারা সবাই নিহত অটোরিক্সা চালক হাবিবুর রহমানের ঘটনাসহ আরও একটি ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত আছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। তাদের সনাক্তমতে এই ঘটনাসহ অন্যান্য ঘটনায় ছিনতাইকৃত মোট ১০টি অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয়।

নরসিংদীর পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল-মামুন বলেন, দুইদিন ধরে গোয়েন্দা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত পাঁচজন ও ছিনতাইয়ের সহযোগি আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া এই অভিযানে বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি ও ছিনতাই হওয়া ১০টি ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা উদ্ধার করে পুলিশ।

উলেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল সকালে সদর উপজেলার শীলমান্দী এলাকা থেকে হাবিবুর রহমান (৩২) নামে এক চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত চালক হাবিবুর রহমান পাঁচদোনা ইউনিয়নের মূলপাড়া গ্রামের ওসমান মিয়ার ছেলে।

হাবিবুর রহমান দুপুরের খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে অটোরিক্সা নিয়ে বের হয়। কিন্তু অন্যান্য দিনের মতো রাতে আর বাড়ি ফিরেনি। অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

পরদিন সকালে শীলমান্দী এলাকার বৈশাখী মিলের পাশে তার গলাকাটা লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এই ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই মো. ফারুক মিয়া বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

ad