নরসিংদীতে পশুর হাটের নিরাপত্তায় ড্রোন

Drone
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নরসিংদীতে জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাটগুলো। এখন পর্যন্ত হাটে ভারতীয় গরু না উঠায় ভালো দাম পেয়ে খুশি খামারিরা। এবার ড্রোনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণের মধ্যদিয়ে কঠোর নজরদারি চলছে জেলার কুরবানির পশুর হাটগুলোতে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে গরু কেনা-বেচা করছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখর জেলার ছোট-বড় ৫৮টি পশুর হাট। স্থানীয় খামারির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা গরু নিয়ে এসেছেন হাটে। এখন পর্যন্ত হাটে ভারতীয় গরু না উঠায় স্থানীয় খামারগুলোতে দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ করা গরুর চাহিদা অনেক বেশি। তবে উপকরণের মূল্য বৃদ্ধির কারণে গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশী বলে জানিয়েছেন পাইকার ও খামারিরা। এ বছর নরসিংদী জেলায় ছোট-বড় সাড়ে ৩ হাজার খামারী দেশীয় পদ্ধতিতে ২৬ হাজারের বেশি পশু মোটাতাজা করেছেন।

নরসিংদীর পুটিয়া বাজারের হাটে কথা হয় ক্রেতা মোহাম্মদ আলীর সাথে। তিনি বলেন, এ বছর হাটগুলোতে ভারতীয় গরুর সংখ্যা নেই বললেই চলে। তবে এখানকার স্থানীয় খামারীরা যে পরিমাণ গরু হাটে এনেছেন তা খুবই লক্ষনীয়। তবে দামটা একটু বেশি। দামটা কিছুটা সহনীয় হলে হয়ত আরও ভালো বেচা-কেনা হতো।

তিনি বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর পশুর হাটগুলোতে চুরি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা ঘটেনি। আর এর পুরোটাই সম্ভব হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোনের মাধ্যমে হাটগুলোকে পর্যবেক্ষণ করার কারণে।

বিক্রেতা রমিজ উদ্দিন মিয়া জানান, আগে হাটগুলোতে বিশৃঙ্খলা ছিল। কিন্তু এ বছর পুলিশের বিশেষ তদারকি হিসাবে ড্রোন ব্যবহারের কারণে আমরা পশু বিক্রি করে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছি।

নরসিংদী পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন বলেন, নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ড্রোন কার্যকরী ভূমিকা রাখায় এবার কুরবানীর পশুর হাটগুলোতে ড্রোন নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এতে করে হাটগুলোতে এখনো পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ad