নাটোরে কমতে শুরু করেছে চালের দাম

Rice bazar
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: চালের বাজারে অস্থিরতা রুখতে জেলা প্রশাসনের অভিযান ও দোষী অসাধু চাল ব্যবসায়ীদের জেল-জরিমানা করায় নাটোরের বিভিন্ন স্থানের খুচরা বাজারে চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া, রাজাপুর, আহম্মেদপুর বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মোটা চাল কেজি প্রতি ১-২ টাকা এবং স্বর্ণা ও মিনিকেট জাতের চিকন চাল কেজি প্রতি ২ থেকে ৩ টাকা কমেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যে সব ধরনের চালের দাম কেজি প্রতি ৪-৫ টাকা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার বনপাড়া বাজারের চাল ব্যবসায়ী মো. শরীফুল ইসলাম জানান, হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীরাও বিপাকে পড়েছে। সুবিধাভোগী মিল মালিক ও মজুদদারেরা পরস্পর যোগসাজশে চালের দাম বৃদ্ধি করে অল্প দিনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে।

বিভিন্ন  বাজারে ঘুরে  দেখা গেছে, ব্রি-২৮ ও ২৯ জাতের চাল বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৫২ টাকা, যা ২-৩ দিন আগে ১ থেকে ৩ টাকা বেশী ছিল।  স্বর্ণা ও মিনিকেট জাতের চালের দাম কেজি প্রতি ৬২ থেকে ৬৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা ২-৩ দিন আগে ছিলো কেজি প্রতি ৩-৪ টাকা বেশী।

অটো রাইস মিল মালিকরা বলছেন,  বেশী দামে ধান কেনার কারণে চালের দাম বেড়ে গেছে। অবশ্য মিল মালিকদের এই যুক্তি মানতে নারাজ নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজ্জাকুল ইসলাম।

তিনি বিভিন্ন আড়তে উপস্থিত হয়ে মিল মালিকদের খাতা অনুসন্ধান চালিয়ে দেখেন মিলের ৯০ ভাগ ধান কেনা হয়েছে ১৫ দিন থেকে তিন মাস আগে এবং তা আগের দামেই কেনা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজ্জাকুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যাব-৫ এর একটি দল নাটোরের বড়াইগ্রাম, গুরুদাসপুর ও লালপুরের বিভিন্ন চালের মিল ও পাইকারি বাজারে অভিযান চালিয়ে ৮ অটোরাইস মিল মালিককে বিভিন্ন অভিযোগে ৩ লক্ষ ৭০ জরিমানা ও এক চাল ব্যবসায়ীকে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

ad