নীলফামারীতে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

nilphamari eid bazar
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: আর দু’দিন পরেই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। আর এই ঈদকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে নীলফামারীর ঈদ বাজার।

সকাল থেকে রাত অবধি ক্রেতারা ছুটছেন এক দোকান থেকে অন্য দোকানে। তৈরি পোশাক বিক্রেতাদের দোকানে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও উপচেপড়া ভিড়। দর্জিরাও ব্যস্ত কাপড় সেলাইয়ের কাজে। এক কথায় জমজমাট হয়ে উঠেছে নীলফামারীর ঈদের বাজার।

স্টুডেন্ট টেইলার্স মাষ্টার আনজারুল জানান, রমজানের শুরু থেকেই তাদের ব্যস্ততা চলছে। চলবে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত। এমনকি ঈদের দিনটিও তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়।

এদিকে, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ততই বাড়ছে। ক্রেতাদের সামাল দিতেই হিমশীম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের। দম ফেলার ফুসরত নেই তাদের। গতবার ভারতীয় চ্যানেল ষ্টার জলসার কিরনমালার দখলে সব পোষাক থাকলেও এবার হুররাম ও বাহুবলী পোষাকের দিকে নজর সবার। তবে এবার দেশী পোশাকের চাহিদা বেশি। আর ছেলেদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে সুতি পাঞ্জাবী ও ফতুয়া।

শহরের বিপণিবিতান, সুপার মার্কেট, পৌর মার্কেট, নমস্কার, লাবনী, ড্রেস কর্নারসহ ছোট বড় সব দোকানেই ক্রেতাদের উপচে পরা ভিড় লক্ষণীয়।

নমস্কার গার্মেন্টেসের পরিচালক অসীম কুমার সাহা জানান, এবার ঈদ বাজারে নারীদের জন্য বাহারী আর্কষণীয় পোশাকের সম্ভার রয়েছে তাদের দোকানে। বিদেশী পোষাকসহ দেশী টিস্যু ও পাকিস্তানী কটনহিট রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে নানা ডিজাইনের থ্রি-পিস, শাড়ি, ইনকুচি, তেরেলিনা, কাতান ও জামদানী শাড়ী।

লাবনী গার্মেন্টেসের মালিক মিঠু মিয়া জানান, এবার বাজারে দেশী সুতি পোশাকের চাহিদা সব থেকে বেশী। তারপরে রয়েছে জনপ্রিয় মেগা সিরিয়াল সুলতান সুলেমান এবং ভারতের ব্যবসা সফল ছবি বাহুবলী টু অনুসারেই বাহারী নামের পোশাক।

অভিজাত বিপণিবিতানগুলোর পাশাপাশি ফুটপাতের দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। নিম্ন ও মধ্য আয়ের ক্রেতারা তাদের সন্তানদের জন্য পছন্দমত জামাকাপড় কিনছে সেকান থেকে।

ad