নড়াইলে চলন্তিকার চেয়ারম্যানসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Narail Photo
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়ায় প্রায় আট হাজার গ্রাহকের অর্ধশত কোটি টাকা নিয়ে পালিযে যাওয়া চলন্তিকা যুব সোসাইটি নামের সেই এনজিওর চেয়ারম্যান মো. খবিরুজ্জামানসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হযেছে।

সাজ্জাদুর রহমান নামের একজন গ্রাহক সোমবার (৯ এপ্রিল) কালিয়া থানায় মামলাটি দাযের করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ ওই এনজিওর ছয় কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে প্রেরণ করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চলন্তিকা যুব সোসাইটি নামের খুলনা ভিত্তিক একটি এনজিও ২০০৪ সালে কালিয়া উপজেলায় কাজ শুরু করে।  ব্যাংকের আদলে ৬ বছরে দ্বিগুণ ও দশ বছরে তিনগুণ মুনাফা দেয়ার ঘোষণা দিয়ে ২০০৯ সালে তারা আমানত সংগ্রহ ও ঋণদান কর্মসূচির কাজ শুরু করে।  এরপর গত ৩ এপ্রিল চলন্তিকা যুব সোসাইটির সকল কর্মকর্তারা গ্রাহকের জমাকৃত অর্শত কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।এছাড়া, তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ২৫/৩০টি শাখা খুলে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রায় শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

মামলার বাদী সাজ্জাদুর রহমান অধিক মুনাফা পওয়ার আশায় ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে ওই এনজিওর সদস্য হয়ে ৪১ হাজার টাকা জমা করেন।

মামলার আসামীদের মধ্যে রয়েছে চলন্তিকা যুব সোসাইটির চেয়ারম্যান খুলনার সোনাডাঙ্গার মো. খবিরুজ্জামান, নির্বার্হী পরিচালক খুলনার শিপিইয়ার্ড এলাকার সরোয়ার হোসাইন, কালিয়া শাখার জি এম জোকারচর গ্রামের মিলন দাশ, বাগেরহাট জেলার সি এন্ড বি বাজার শাখার সহকারি ম্যানেজার গোলাম কিবরিয়া, কাইখালী শাখার ডিজিএম আসাদুল ইসলাম, খুলনার ডুমুরিয়া শাখার জিএম আব্দুল জলিল শেখ, প্রধান কার্যালয় খুলনার ডিজিএম নড়াইলের কালিয়ার মিলন বিশ্বাস। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২৫/৩০ জনকে আসামী করা হয়েছে।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শমসের আলী বলেন, ছয় আসামীকে গ্রেপ্তার করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ নড়াইল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কালিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নাজমুল হুদা বলেন, তার আমন্ত্রণে ওই কর্মকর্তারা আসলেও তারা ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ক্ষতি পুরণদানের জন্য সন্তোষ জনক জবাব না দেয়ায় ও জনরোষ থেকে রক্ষার জন্য ছয়জনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

ad