পার্বতীপুরে হঠাৎ করে গরুর মাংসের দাম বৃদ্ধি

cow meat
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: দিনাজপুরের পার্বতীপুরে রোজা শুরু হতেই হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে গরুর মাংসের দাম। ৪৩০ টাকার প্রতি কেজি মাংস এথন বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়।

কসাইরা জোটবদ্ধ হয়ে মাংসের দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ সাধারণ ক্রেতাদের। তবে, দাম বৃদ্ধির কোন যৌক্তিক কারণ জানাতে পারেনি মাংস ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, দাম বৃদ্ধির ফলে স্বল্প আয়ের মানুষেরা গরুর মাংস কিনতে পারছে না।

স্থানীয় ভোক্তারা বলছেন, গ্রামীন হাট বাজারগুলোতে বাজার মনিটরিংয়ের না থাকায় ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছেমত মাংসের দাম বাড়িয়ে চলেছেন। তারা ডিজিটাল স্কেল ব্যবহার না করে দাঁড়িপাল্লার ওজনে মাংস বিক্রি করছেন। মাংস বিক্রিতে রয়েছে ওজনের মারপ্যাচ। এর ফলে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা।

রবিবার (২৮ মে) সকালে সরেজমিনে পার্বতীপুর পৌরসভার নতুন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গরুর মাংস বেচা কেনা হচ্ছে ৫০০ টাকায়। কসাইরা বলছেন, রমজান মাসে গরুর মাংসের দাম আরো বাড়বে। গত এক মাস আগে পার্বতীপুর নতুন বাজার থেকে শুরু করে গ্রামের হাট বাজারগুলোতে প্রতি কেজি গরুর মাংস বেচাকেনা হতো সর্বোচ্চ ৪৩০ টাকা।

পার্বতীপুর শহরের নতুন বাজার মাংস হাটির ব্যবসায়ী বাবুল হোসেন ও মানিক জানান, গত ১০ দিন আগে যে গরু ৪০ হাজার টাকায় কিনেছিলাম সেই একই ধরনের গরু এখন ৫০ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে মাংসের দাম বাড়িয়েছি।

নতুন বাজার মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা ইচ্ছা করে মাংসের দাম বাড়াই নাই। রমজান মাস রোজাদার মানুষ ভাল ভাল খায়। সে কারণে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে গরুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। চামড়া বিক্রি হচ্ছে পানির দরে।

এ ব্যাপারে পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, উপজেলা পর্যায়ের মনিটরিং কমিটি আছে। এছাড়াও মূল্য বৃদ্ধিরোধে মাঝে মাঝে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। কেউ দাম বাড়িয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ad