বরগুনায় ইয়াবা উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে যুবক গ্রেপ্তারের অভিযোগ

Barguna
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বরগুনায় শামীম হোসেন মুসা নামের একজন ইন্টার্ন চিকিৎসককে গ্রেপ্তার, গ্রেপ্তারের সময় তার দুই বোনকে নির্যাতন এবং পরের দিন ১০০ পিছ ইয়াবা দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (২০ জুন) দুপুরে বরগুনা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে তারা এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

এ সময় মুসার পিতা মো শাহআলম সরদার (৫০), মা হালিমা বেগম (৪৫), বোন সাথী (২৬) ও মরিয়মসহ (১৬) অন্যান্য স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল সোমবার সকালে এ ঘটনায় জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার এসআই মো. আবু জাফরকে প্রধান আসামী করে একটি মামলা করেন ভুক্তভোগীর মা হালিমা বেগম। অভিযোগ আমলে নিয়ে ওইদিনই বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. জুলফিকার আলী খান।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাথী বেগম বলেন, শনিবার রাত ১০টার দিকে পশ্চিম হেউলিবুনিয়া গ্রামে তাদের বাড়িতে পানি খাওয়ার কথা বলে কয়েকজন চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী। ঘরে ঢুকেই তারা মুসার হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে তাকে টানাহেচড়া শুরু করে। এ সময় সাথী বেগম ও তার ছোট বোন মরিয়ম তাদের বাঁধা দিলে সেখানে এসআই আবু জাফর উপস্থিত হন এবং তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। নির্যাতনের কারণে বর্তমানে তারা দুইবোন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলেও জানান সাথী বেগম।

মুসা সরদারের বোন সাথী বেগম আরও বলেন, তার স্বামী সদর উপজেলার নলী মাইঠা গ্রামের খলিলুর রহমানের সাথে তার পারিবারিক বিরোধ চলছে। এর জেরেই খলিল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গোয়েন্দা শাখার এসআই আবু জাফরকে (বিপি নং-৬৫৮৪০৫৩৫৭৮) দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার বিজয় বসাকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই মুসাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের বিবেচনাধীন থাকায় এসআই আবু জাফরের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজী হননি।

ad