বাউফলে তালাক না দেয়ায় গৃহবধূকে নির্যাতন

Bauphal Phot
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: তালাক নামায় স্বাক্ষর না দেয়ায় এক সপ্তাহ আটকে রেখে ফাহিমা আক্তার ওরফে হ্যাপি (১৯) নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূকে বুধবার (১৫ মার্চ) দুপুরে বাউফল থানা পুলিশ উদ্ধার করেছে। নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে পুলিশ লিটন (৩৫) নামের একজনকে আটক করেছে।

গৃহবধূ হ্যাপি জানান, তিনি ময়মনসিংহ সদরের কালিবাড়ি এলাকার জামাল উদ্দিনের মেয়ে। গত ২ মার্চ পটুয়াখালী সদর উপজেলার আলআমিন সিকদারের সঙ্গে (২২) প্রেমের সূত্র ধরে তার বিয়ে হয়। এরপর তারা গাজীপুরের মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় একটি বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। গত ৫ মার্চ তার স্বামী আলআমিন জরুরী কাজে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে উধাও হন।

একসপ্তাহ আগে স্বামীর খোঁজে গাজীপুর থেকে পটুয়াখালী আসেন তিনি। সেখান থেকে বাউফলের আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুর বাঁধ এলাকায় আল আমিনের ভগ্নিপতির বাসায় ওঠেন তিনি। এসময় ওই বাড়িতে আটক করে স্বামী ও ভগ্নিপতি লিটন ও তার স্ত্রী স্বেচ্ছায় তালাক নেয়ার জন্য তাকে ভয়ভীতি দেখায়। এতে রাজি না হওয়ায় হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাকে হত্যার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে জীবন বাঁচাতে তালাক নামায় স্বাক্ষর দিতে সম্মত হয় সে।

বুধবার সকালে কৌশলে বাসা থেকে বের হলে স্বামী আল-আমিন ও তার ভগ্নিপতি তাকে ধরার জন্য পিছু নেয়। এসময় তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা লিটনকে আটক করে পুলিশে দেয়।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার ওসি আযম খান ফারুকী বলেন, নির্যাতিত হ্যাপির বাবাকে খবর দেয়া হয়েছে। তিনি আসার পরে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

ad