বাউফলে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল-পলিথিন জব্দ

jagoran- Bauphal, current fake-polythene, seized,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে কোষ্টগার্ডের সদস্যরা দিনভর অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল ও পলিথিন জব্দ করেছে। আটককৃত অবৈধ কারেন্ট জালের মূল্য ২৮ কোটি টাকা এবং পলিথিনের মূল্য ৭ লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

রবিবার (৫ আগষ্ট) উপজেলার কালাইয়া বন্দর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে জব্দ করা ওই কারেন্ট জাল ও পলিথিন ধানহাটের মাঠে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভোলা কোস্টগার্ডের প্রধান লেফটেনেন্ট আসিফ মোহাম্মদ অনিকের নেতৃত্বে একটি টিম অবৈধ কারেন্ট জালের মোকাম হিসেবে পরিচিত বাউফলের কালাইয়া মার্চেন্ট পট্টি এলাকায় অভিযান চালায়।

এ সময় রুপ কুমার মালি, রিপন কুমার মালি, সুমন মালি ও দুলাল মালির গুদামে থাকা বিপুল পরিমাণ ওই কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। একই সময় তাদের গুদামে বিক্রির জন্য রাখা পলিথিনও উদ্ধার করা হয়। অভিযান চলাকালে ওই কারেন্ট জাল ও পলিথিন ব্যবসায়ীরা কৌশলে পালিয়ে যায়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে জব্দকৃত কারেন্ট জাল ও পলিথিন আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করার নির্দেশ প্রদান করেন।

কোষ্টগার্ড কর্মকর্তা আসিফ মোহাম্মদ অনিক সাংবাদিকদের বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোট ৬টি গুদাম ঘরে অভিযান চালানো হয়। ওই সময় প্রায় ৮০ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।

এদিকে অবৈধ কারেন্ট জাল ও পলিথিন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অথচ যেখানে কারেন্ট জাল বিক্রি হয় তার পাশেই রয়েছে নৌ পুলিশের ফাঁড়ি।

অপর একটি সূত্র জানায়, স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েক ব্যক্তির মালিকানাধীন বাড়ি ভাড়া নিয়ে অবাধে চলছে কারেন্ট জালের ব্যবসা। ফলে নিয়মিত অভিযান চালাতে গিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, নৌ পুলিশকে নিয়মিত মাসোয়ারা দিয়েই কালাইয়া বন্দরে নির্বিঘ্নে চলে অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবসা।

ad