বাউফলে শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করলেন শিক্ষক

Students, beaten wound, teacher,
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মারজুককে বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছেন শিক্ষক আব্দুল মন্নান।

মঙ্গলবার (২০ মার্চ) উপজেলার নুরাইনপুর অগ্রণী বিদ্যাপীঠে দ্বিতীয় পিরিয়ড চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

একই সময় ওই শ্রেণির আরও অন্তত ৮-১০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষক আব্দুল মন্নান বেধড়ক পিটিয়ে জখম করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহত শিক্ষার্থী মারজুকের বাবা নুরাইনপুর কলেজের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল ইসলাম বলেন, অগ্রণী বিদ্যাপীঠের শিক্ষকরা কখনও বেত ছাড়া ক্লাসে যান না। প্রতিদিন বেত দিয় পিটিয়ে আহত করা হয় শিক্ষার্থীদের। সোমবার (১৯ মার্চ) নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিবকেও পিটিয়ে আহত করেন ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক মনিরুল ইসলাম।

ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী নির্যাতনের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন অভিভাবকরা। একাধিক অভিভাবক বলেন, শ্রেণিকক্ষে বেত নিয়ে প্রবেশ নিষেধ হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষকরা তা মানছেন না।

প্রাইভেট না পড়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকরা বেত নিয়ে ভয়ভীতি সৃষ্টি করছেন। এছাড়া পরীক্ষা ও রেজিষ্ট্রেশন ফি বেশি আদায় করার উদ্দেশ্যে ক্লাসে বেত নেয়ার রেওয়াজ চালু করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামানের কাছে এসে অভিযোগ দিয়েছেন নির্যাতিত ছাত্র মারজুক ও তার বাবা অধ্যাপক জহিুরল ইসলাম।

অগ্রণী বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় আমি উপজেলা পরিষদ মিলানয়তনে একটি মিটিংয়ে ছিলাম। বুধবার (২১ মার্চ) জড়িত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ad