মুক্তিযোদ্ধাদের হাঁসিমুখ: ব্যতিক্রমী আয়োজনে মুগ্ধতা

Pabna Mukti Joddhader Hashimukh Photo-2
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: ‘আমরা আর কয়দিন থাকবো। সবাই চলে যাব। কিন্তু ছবিগুলো আমাদের বাঁচিয়ে রাখবে। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযোদ্ধা চেনাবে।’ মুক্তিযোদ্ধাদের হাঁসিমুখের ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনীতে এসে নিজের ছবি দেখে এসব কথা বলেন পাবনার মুক্তিযোদ্ধা আ স ম আব্দুর রহীম পাকন।

পাবনা জেলা শহরের মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল পৌর মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গনে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ‘আমার-৭১’ নামের একটি সংগঠন।

গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া প্রদর্শনী শেষ হয় আজ বৃহস্পতিবার। বিভিন্ন বয়সী মানুষ দিনভর ছবিগুলো দেখতে ভীড় জমিয়েছেন। মুগ্ধ হয়েছেন অনেকে।

আয়োজকরা জানান, সংগঠনের প্রধান আলোকচিত্রী আতিক রহমানের মুক্তিযোদ্ধাদের হাঁসিমুখের একশটি ছবি নিয়ে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কে এম শফিউল্লাহ। পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিজন মুক্তিযোদ্ধার ছবি সংগ্রহ করে আরো প্রদর্শনী করা হবে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে এসব ছবি নিয়ে একটি এ্যালবাম তৈরি করা হবে। পাশাপাশি একটি ওয়েব সাইটে পাবনার সকল মুক্তিযোদ্ধার ছবি, জীবন বৃত্তান্ত ও তাঁদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প অন্তর্ভূক্ত করা হবে।

আয়োজক সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারি তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের অনেক মুক্তিযোদ্ধা এখন নেই। যাঁরা আছেন তাঁরাও বয়সের ভাড়ে অসুস্থ্ হয়ে পড়ছেন। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের হাঁসি মুখ তুলে ধরতে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

সংগঠনের প্রধান আলোকচিত্রী আতিক রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ অনেক আগে হয়েছে, সেদিনের সেই তরুণ মুক্তিযোদ্ধারা দিনে দিনে প্রবীণ হয়ে পড়েছেন। কিন্তু তাঁদের মানসিকতায় এখনও মিশে আছে তারুণ্য। ছবিতে সেই তারুণ্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন তিনি।

ad