মোরেলগঞ্জে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

Morrelgonj
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ছয়টি সংখ্যালঘু পরিবারের জমি, বসতবাড়ি ও কয়েকটি দোকানঘর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে মোরেলগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করে নির্যাতিতরা।

খাউলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক দুলাল চন্দ্র সিকদার ওই পরিবারগুলোর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় ভুক্তভোগী সন্ন্যাসী গ্রামের লিটন সিকদার (৩৫), রাজারাম ভদ্র (৫০), সাবেক প্রধান শিক্ষক ফনিন্দ্রনাথ সিকদার (৭৮), মাদ্রাসা শিক্ষক বিমল চন্দ্র সিকদার (৫২) ও ব্যবসায়ী সমীর সিকদার উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের মাষ্টার আলী আকবরের ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান ছয়টি সংখ্যালঘু পরিবারের জমি, বসতবাড়ি ও কয়েকটি দোকানঘর জোরপূর্বক ভোগ দখলের চেষ্টা করছে। ইতোপূর্বে একটি মন্দির ভেঙে জমি দখল করে নিয়েছে সে। এরপর গত সোমবার সন্ধ্যায় সন্ন্যাসী বাজারে দুটি দোকানঘর দখলেরও চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে দুলাল সিকদার, তার ছেলে লিটন ও রাজারাম ভদ্রকে মারপিট করে জিয়াউল ও তার লোকজন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ২০০১ সালে নির্যাতিত হয়েছি। বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে অনেক কিছু হারিয়েছে। এখন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও আমরা নির্যাতিত কেন ? আমাদের অপরাধ কি ?’

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি মাষ্টার আবুল খায়ের বলেন, হিন্দুদের দোকান দখল নিয়ে জিয়াউল গত মঙ্গলবার কয়েকজনকে মারপিট করে। ওই সময় প্রতিবাদ করলে আমাকেও লাঞ্চিত করে জিয়াউল ও তার লোকজন।

অবিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা জিয়াউল হাসান বলেন, আমি মৃত শৈলেন্দ্রনাথ কাপালির জমিজমা দেখাশুনা করি এবং সবকিছুর ডিফেন্স দেই। স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা কথা বলে বেড়াচ্ছে।

ad