রাজাপুরে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগ!

Abduction
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঝালকাঠির রাজাপুরে আয়েশা আক্তার নামে এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৬ জুন) দুপুরে কৌশলে পালিয়ে এসে নির্যাতিত ওই ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে মাইনুল ইসলাম নামে এক যুবককে প্রধান আসামী করে রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত মাইনুল উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের তানজের সিকদারের ছেলে ও কলেজ ছাত্রী আয়শা আক্তার উপজেলার রোলা গ্রামের মো. শাহ্ আলম হাওলাদারের মেয়ে।

এ ঘটনায় মাইনুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুইজনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজাপুরের একটি কম্পিউটারের দোকানের সামনে থেকে মাইনুল ও তার সহযোগীরা আয়েশাকে অপহরণ করে মানুলের এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে আয়েশাকে প্রচণ্ড মারদর করা হলে অচেতন হয়ে পড়ে সে। কিছু সময় পরে আয়েশার চেতো ফিরলে নিজেকে একটি ঘরের মধ্যে দেখতে পায়। পরে সে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে স্বজনদের সহযোগীতায় রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। পরের দিন শুক্রবার দুপুরে রাজাপুর থানায় এসে নিজেই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।

আয়েশা আক্তার জানায়, মাইনুল বিভিন্ন সময় আমাকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় মাইনুল আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

অপরদিকে অভিযুক্ত মাইনুল মুঠোফোনে বলেন, অপহরণের বিষয়টি সম্পূর্ন মিথ্যা। আয়েশার সাথে আমার গত তিন বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। ঘটনার দিন আয়েশা আমার কাছে ১৩ হাজার টাকা চাইলে কারণ জানতে চাই। এ নিয়ে বাকবিতন্ডার এক সময় আয়েশা প্রথমে আমাকে চড় মারে। এরপর আমিও আয়েশাকে চড় মারি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজাপুর থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মো. হারুন অর রশীদ বলেন, এ ঘটনায় কলেজ ছাত্রীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পরে পুলিশের একাধিক দল অভিযুক্ত মাইনুলকে গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে।

ad