শাহজাদপুরে কথিত পীরের বাড়িতে দেহ ব্যবসার আসর, আটক ২

Shahzadpur
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কথিত পীর আব্দুল কাদের ফকির ওরফে টনক খুলুর বাড়ি থেকে এক পতিতাকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় পীর কাদের ও আরেক পতিতা পালিয়ে যায়।

শুক্রবার (২৯ জুন) রাত ১০টার দিকে উপজেলার হাবিবুল্লাহনগর ইউনিয়নের ডায়া পূর্বপাড়া গ্রামের পীরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলো- খদ্দের শাহজাদপুর উপজেলার শরিষাকোল গ্রামের মন্টু মন্ডল (৪৭) ও পতিতা মাগুড়া জেলার মোহাম্মদপুর থানার কানুটিয়া গ্রামের মোনা মিয়ার মেয়ে সাবানা খাতুন (২৫)।

এলাকাবাসি জানায়, পোরজনা গ্রামের আব্দুল কাদের ফকির ওরফে টনক খুলু একযুগ আগে ডায়া গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। এরপর এ গ্রামের কিছু প্রভাবশালীর সহযোগিতায় বাউল তরিকার পীর ব্যবসা শুরু করেন। এরপর থেকে তার বাড়িতে দূর দূরান্ত থেকে মুরিদ বেশে পতিতা ও খদ্দেরের আনাগোনা শুরু হয়। ধীরে ধীরে তার সন্তানেরাও এ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি তারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়লে গ্রামে বহিরাগত মাদকসেবীর আনাগোনা বেড়ে যায়।

গত শুক্রবার রাতে এলাকাবাসী খবর পায় কাদেরের বাড়িতে মধুচক্রের আসর বসেছে। এ খবরে এলাকাবাসী একজোট হয়ে কাদেরের বাড়ি ঘেরাও করে। এ সময় তারা কাদেরকে এক পতিতার সাথে আপত্তিকর অবস্থায় পায়। অন্য একটি ঘর থেকে আটক করা হয় এক পতিতা ও এক খদ্দেরকে। পরে তারা পুলিশে খবর দেয়। তবে এর আগেই সুযোগ বুঝে কাদের এক পতিতাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসে সেখানে থাকা পতিতা ও খদ্দেরকে আটক করে নিয়ে যায়।

তবে ভন্ড পীর আব্দুল কাদের ফকির পুরো ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, তার বাড়িতে পতিতাবৃত্তি ও মাদক ব্যবসা করা হয় না। আটক দুই ব্যক্তিকে এলাকার কতিপয় বখাটে যুবক ধাওয়া করলে তারা প্রাণ বাঁচাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তিনি দুই অসহায় ব্যক্তিকে তাদের হাত থেকে রক্ষার্থে আশ্রয় দেন।

শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খাজা গোলাম কিবরিয়া বলেন,পতিতা ও খদ্দের জনতার হাতে আটক হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ad