চাচী শাশুড়ির সাথে আপত্তিকর অবস্থায় শ্বশুর, দেখে ফেলায়

Amtoli
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলীতে শ্বশুরকে তার পরকীয়া প্রেমিকার সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় এক গৃহবধূকে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। আহত অবস্থায় গৃহবধূ নুরজাহান বেগমকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ মে) সন্ধ্যায় আমতলী উপজেলার কুলাইরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, উপজেলার কুলাইরচর গ্রামের সেন্টু প্যাদার স্ত্রী নুরজাহান বেগম। সেন্টু তার বাবা মোতালেব প্যাদার সাথে স্ত্রীকে নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করেন। গত বৃহস্পতিবার ওই বাড়িতে বেড়াতে আসে সেন্টুর এক চাচি। সে পাশের একটি রুমে রাতে থাকতে যায়। গভীর রাতে মোতালেব প্যাদা ওই ঘরে যায়। এ সময় তাদের দু’জনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন নূরজাহান।

এ সময় নূরজাহান অন্য কাউকে ভেবে চিৎকার দিলে দৌড় দেয় মোতালেব। পরে ছেলে সেন্টু পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ধরে ফেলে। এতে পুত্রবধূর ওপরে ক্ষিপ্ত হয় শ্বশুর। এর জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় মাঠ থেকে গরু আনার অজুহাত দেখিয়ে মাঠে পুত্রবধূকে ঘাটিয়া দিয়ে পিটিয়ে বেধরক মারধর করে। এতে নুরজাহানের মাথা ফেটে যায়। পরে স্বজনরা উদ্ধার করে ওইদিন রাতে তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. হারুন অর রশিদ বলেন, নুরজাহার বেগমের মাথায় সেলাই করা হয়েছে এবং তার সারা শরীরে ফুলা জখমের চিহৃ রয়েছে।

নুরজাহান বেগমের কন্যা তানবিন জানান, বাবার সরলতার সুযোগে দাদা মোতালেব প্যাদা ও দাদী মাফিয়া বেগম আমার মাকে প্রায়ই নির্যাতন করে।

স্বামী সেন্টু প্যাদা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাবা ও মা অন্যায় করলে তাদের কি বিচার করা যায়?

ইউপি সদস্য এসএম মাসুদ মৃধা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় কঠিন বিচার হওয়া দরকার। মোতালেব প্যাদা পুত্রবধুকে মারধরের ঘটনায় কয়েকবার বিচার হয়েছে।

আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়েছি।অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ad