ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মোরেলগঞ্জে আ.লীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন

Morrelgonj photo
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার জিউধরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বাদশা তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন বাদশা।

লিখিত অভিযোগে চেয়ারম্যান বাদশা বলেন, গত শনিবার সোমাদ্দারখালী গ্রামের একটি ঘের সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে ঘের দখল ও বাচ্চু খাঁনের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের কাল্পনিক খবর প্রকাশ করা হয়েছে। ওই খবরে যুবদলের সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন খাঁন রিপনের বক্তব্য মতে আমাকে (চেয়ারম্যানকে) দায়ী করা হয়েছে। অথচ ঘটনাটি সম্পূর্ণ বিপরীত। ওইদিন আমার ছেলে ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক সুমন শাহ্র নামের ৩০ বিঘার ঘেরটি বাচ্চু খাঁন স্থানীয় জামায়াত বিএনপিপন্থীদের সহযোগিতায় দখল করে নেয়।

তিনি বলেন, পরে বিষয়টি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে নিজের বসতঘর সংলগ্ন রান্নাঘরের এক অংশে অগ্নিসংযোগ করে আবার তা সে নিজেই নিভিয়ে ফেলে। নামে মাত্র পোড়া ওই পাক ঘরের ছবি তুলে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ভুল বুঝিয়ে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়। ইতিপূর্বেও এই চক্রটি আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করেছে।

তিনি আরও বলেন, বিগত ২০০১ সালে জোট সরকারের আমলে যুবদল নেতা মহিউদ্দিন খাঁন রিপনের নেতৃত্বে জিউধরা ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে চালিয়েছিল তাণ্ডব লীলা। তার অত্যাচারে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিল পার্শ্ববর্তী মংলা উপজেলার চটেরহাট নামক স্থানে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ডাক্তার তরুন কান্তি মিস্ত্রী, আওয়ামী লীগ নেতা আবজাল হোসেন মাসুম, মাষ্টার নজরুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা ও ইউপি সদস্য শিমুল কান্তি মিস্ত্রী, সাইদুল ইসলাম ও আসালতা মিস্ত্রী।

আওয়ামী লীগ নেতা বাদশার এই অভিযোগ সম্পর্কে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারি পুলিশ কর্মকর্তা থানার এসআই রফিক জানান, বাচ্চু খাঁনের বাড়িতে হামলা বা আগুন লাগার কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ad