সোনারগাঁয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৭

নারায়ণগঞ্জ ম্যাপ
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ কমপক্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সোমবার (২ জুলাই) উপজেলার আলগীরচর গ্রামে দফায় দফায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান, আলগীরচর গ্রামের আব্দুর রহিম মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার সাদেক মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার সকালে সাদেক মিয়ার ছেলে শাকিল হোসেন ও আব্দুর রহিমের ভাগ্নে জুয়েল আহাম্মেদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়।

এর জের ধরে সাদের মিয়া, মেয়ের জামাই বকুল মিয়া, ছেলে শাকিল মিয়া, ছেলে শাকির হোসেন ও শ্যালক ওসমান মিয়াসহ ৮-১০ জনের একদল বাহিনী হকিস্টিক, রামদা, লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে আব্দুর রহিমের বোন কুলসুম বেগম, মামা ইউনুস আলী, মেঝ বোন উর্মি আক্তার ও ছোট বোন তামান্নাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।

আহতদের মধ্যে ইউনুস আলীর হাত ও পায়ের হাড় ভেঙে ফেলে ও কুলসুম আক্তারকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।

পরে আব্দুর রহিম ও তার লোকজন একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে সাদেক হোসেনের ছেলে শাকিল আহম্মেদ, তার আত্মীয় সোহান মিয়া ও মেয়ের জামাই বকুল মিয়াকে পিটিয়ে আহত করে। এতে দুপক্ষের সাতজন আহত হয়। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আব্দুর রহিম বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসী সাদেক মিয়া ও তার সহযোগিরা আমাদের আত্মীয়-স্বজনদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে হত্যার চেষ্টা চালায়।

সাদেক হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের লোকদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করার পর আমরা তাদের প্রতিহত করেছি।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, এ বিষয়ে দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ad