সোনারগাঁয়ে ৪ ডাকাত আটক, গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী হত্যার আসামী

narayanganj
ad

স্থানীয় প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অন্ত্রসহ চার ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ।  এছাড়া, ষোলপাড়া গ্রামের ডেকোরেটর ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম হত্যা মামলার প্রধান আসামী সুলতান আহম্মেদকে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের টিপুরদী এলাকা থেকে ডাকাতদের তাদের আটক করা হয়।  গতকাল রাতে গ্রেপ্তার করা হয় সুলতানকে।

আটককৃতরা হলেন- রূপগঞ্জ উপজেলার ছনপাড়া গ্রামের হাবু সিকদারের ছেলে খোকন মিয়া, একই এলাকার তারা মিয়ার ছেলে রুবেল (১৯), মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বিভানদি গ্রামের জব্বার মিয়ার ছেলে সাদ্দাম ওরফে টোকাইক সাদ্দাম (২৫) ও একই এলাকার বসুরবাগ গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে জনি (২২)।

সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হক শিকদার জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর সেতু থেকে মেঘনা সেতু পর্যন্ত কয়েকটি ডাকাত চক্র দীর্ঘদিন পরিবহনে ডাকাতি করে আসছিল। মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে টিপুরদী এলাকা থেকে ডাকাত চক্রের সদস্য খোকন মিয়া, জনি মিয়া, রুবেল হোসেন ও সাদ্দাম নামের চার সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশী পিস্তল, একটি চাপাতি, একটি বটি, দুটি রামদা ও চারটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত ডাকাত সদস্যদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, সোনারগাঁ পৌরসভার উত্তর ষোলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সুলতান আহম্মেদের সাথে খোরশেদ আলমের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত ১ মার্চ দুপুরে বাজার থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে খোরশেদ আলমকে একা পেয়ে সুলতান আহম্মেদের নেতৃত্বে তার ছেলে সিফাত, ফাহাদ ও ৫-৭ জনের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে।

তিনি জানান, এ ঘটনায় ওইদিন রাতে নিহতের মা আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আরও ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ad