এফআর টাওয়ার নির্মাণে দুর্নীতি, দুদকের ২ মামলা

দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে বনানীর এফআর টাওয়ার নির্মাণ করায় দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

মঙ্গলবার (২৫ জুন) এই মামলা দুটি করা হয়।

দুপুরে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুইটি মামলারই বাদী দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত উপ-পরিচালক মো. আবুবকর সিদ্দিক।

দুদক বলছে, এফআর টাওয়ারের ১৫তলা থেকে ২৩তলা পর্যন্ত অনিয়মের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। শুরুতে ১৫তলা ভবনের নকশা অনুমোদনেও মানা হয়নি নীতিমালা। ভবনটির দু’টি নকশা হাতে পেয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। একটি নকশায় ১৮তলা ও অন্যটিতে ২৩তলা দেখানো হয়েছে।

একটি মামলায় পাঁচ জনকে এবং আরেকটি মামলায় ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মুকুল ও ফারুক দু’টি মামলারই আসামি। মামলা দায়েরের পর এ বিষয়ে কথা বলেন দুদকের ভারপ্রাপ্ত সচিব সারোয়ার মাহমুদ। 

তিনি বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

ভারপ্রাপ্ত সচিব জানান, রাজউক ও গণপূর্তের কাছে রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিয়মের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ভবনের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর খতিয়ে দেখা হবে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন

কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর উল ইসলাম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেম ও কে এ এম হারুন, রাজউকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান, সাবেক অথরাইজড অফিসার-২ সৈয়দ মকবুল আহম্মেদ, সৈয়দ নাজমুল হুদা, সামছুর রহমান, সাবেক প্রধান ইমরাত পরিদর্শক মাহবুব হোসেন সরকার, সাবেক ইমারত পরিদর্শক আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী, নজরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (এস্টেট) রেজাউল করিম তরফদার ও আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, সাবেক পরিচালক (এস্টেট) শামসুল আলম ও আব্দুল্লা আল বাকী, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মুহাম্মদ শওকত আলী, সাবেক সহকারী পরিচালক শাহ মো. সামসুল আলম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক (এস্টেট) জাহানারা বেগম ও মোফাজ্জেল হোসেন, সাবেক পরিদর্শক মেহেদউজ্জামান, নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক মুহাম্মদ মজিবুর রহমান মোল্লা ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. এনামুল হক।

মন্তব্য লিখুন :