ইস্কাটনে অগ্নিকাণ্ড: স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন রনিও

রাজধানীর ইস্কাটনের দিলু রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ শহিদুল কিরমানী রনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (২ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে রনির স্ত্রী সন্তানসহ এ ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়।

ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক ডাক্তার সামন্ত লাল সেন রনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শহিদুলের শরীরে ৪৩ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তার মৃত্যু হয়। মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।

শহিদুলের ছোট বোন নাসরিন আক্তার জানান, ভোরে চিকিৎসকরা তাদেরকে ডেকে নিয়ে শহিদুলের মৃত্যুর বিষয়টি জানান। তার লাশ নরসিংদী গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার ভোরে দিলু রোডের বাড়িতে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হন রনি ও জান্নাত। আতঙ্কে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মায়ের কোল থেকে আগুনে পড়ে যায় চার বছরের ছেলে একেএম রুশদী। তাকে বাঁচাতে মা-বাবা দুজনই আগুনে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

দিলু রোডের ওই বাড়িতে আগুনে দোতলায় থাকা বায়িং হাউসের অফিস সহকারী আবদুল কাদের (৪৫) ও ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী আফরিন জান্নাত ওরফে জ্যোতি (১৮) মারা যান।