দুঃসংবাদ দিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সারা বিশ্বে। ইতোমধ্যেই অতি সংক্রামক এ করোনার ধরনের শিকার ৪০টিরও বেশি দেশ। এ অবস্থাতেই দুঃসংবাদ দিল বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যদিও বাংলাদেশে এখনো কারো শরীরে এ ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে গত এক সপ্তাহে দেশে করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


বুধবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনা বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও পরিচালক (রোগ-নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ কথা জানান।


তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহে দেশে সর্বমোট করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ১০৬টি, যা আগের সাতদিনের থেকে পাঁচ হাজার ২৩৪টি বেশি। গত সাতদিনে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৭২৭ জন রোগী, যা আগের সাতদিনের চাইতে শতকরা ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি। গত সাতদিনে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা আগের সাতদিনের চাইতে ছয়জন বেশি মৃত্যু বরণ করেছেন।


তিনি আরও বলেন, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা যদি সংক্রমণের চিত্র দেখি তাহলে সব থেকে বেশি রোগী গত জুলাই মাসে শনাক্ত হয়েছে। আর ডিসেম্বর মাসে এ পর্যন্ত এক হাজার ৭২৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। জেলা ভিত্তিক চিত্রে ঢাকা জেলায় সব থেকে বেশি রোগী পাঁচ লাখ ৩০ হাজার ৮২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর পরের অবস্থানে চট্টগ্রাম জেলায় ৯৯ হাজার ৮১১ জন শনাক্ত হয়েছেন। শীর্ষ ১০টি জেলার মধ্যে শেষের অবস্থানে রয়েছে কক্সবাজার, সেখানে ২৩ হাজার ২৭৬ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।


অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ সময় দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে এবং সঠিকভাবে মাস্ক পড়তে অনুরোধ জানান।