দেশের খাদ্যপণ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অনেকটা প্রভাব ফেলেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের খাদ্য পণ্যের দামের ওপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অনেকটা প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, আমাদের খাদ্যপণ্যের ওপর রাশিয়া-ইউক্রনের যুদ্ধ অনেকটা প্রভাব ফেলেছে। সেজন্য সবাইকে সাশ্রয়ী হতে হবে। সামনের দিকে কিছুটা সংকট রয়েছে। তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।


সোমবার (১৬ মে) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’- এ তিনি এসব কথা বলেন।


সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংলাপের উপস্থাপনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।


বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন , শ্রীলঙ্কার চিত্র তুলে ধরে অনেকে প্রচার করছেন, এমন অবস্থা বাংলাদেশেরও হতে পারে। কিন্তু সেরকম কোনো সম্ভাবনা নেই। আমরা নিজেরাই শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দিয়েছি।


আমরা বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যে আছি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অবস্থা ভালো থাকলে দেশের অবস্থাও ভালো থাকে। তেল, চিনি, ডালের দাম নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে। তেলের ৯০ ভাগ আমাদের আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের প্রভাব পড়লে আমাদের দেশেও দাম বেড়ে যায়।


তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়েকটি পণ্য আছে যেগুলো আমরা মনিটর করি। ঈদের আগে তেলের দাম নিয়ে অনেক কথা এসেছে। আমাদের মন্ত্রণালয় প্রতি মাসে একবার বসে ট্যারিফ কমিশন এই প্রাইসিংটি করেন। সবকিছু এভারেজ করে দাম নির্ধারণ করা হয়।


ঈদের মাসে আমরা দাম বাড়াতে চাইনি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের বলেছিলাম, এই সময়টা ম্যানেজ করেন। যখন দাম নির্ধারণ করা হয়, সেখানে কিছুটা বিলম্ব হয়। যেহেতু তারা ভেবেছিলো ঈদের পর দাম বাড়বে, সেজন্য অনেকে তেল জমিয়ে রেখেছিলেন।


ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ভোক্তা অধিকারের মাধ্যমে অনেক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনেককে জেলেও পাঠানো হয়েছে। তবে এমন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাই না, যাতে বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।