রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: কাটাতে হবে আস্থার সংকট

দ্বিতীয়বারের মতো শর্তহীনভাবে রাখাইনে ফেরত যেতে অস্বীকৃতি জানালো বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গারা। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার খবরে দাবি করা হয়েছিল, ২২ আগস্ট নতুন করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও  মিয়ানমার। তাদের দাবির যথার্থতার প্রমাণও মেলে দ্রুতই। প্রত্যাবাসনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতিও নিয়েছিল দুই দেশ, উপস্থিত ছিল মধ্যস্থতার ভূমিকায় অবতীর্ণ চীনা প্রতিনিধিরা। কিন্তু সেই পুরনো শঙ্কাই সত্যিতে রূপান্তরিত হলো। বর্তমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমারে ফিরতে চায় না তারা। বাংলাদেশ এ বিষয়ে তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে, তারা কাউকে জোর করে ফেরত পাঠাবে না, তবে রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার এবং বোঝানোর কাজ চলবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ সবসময় বিষয়টি নিয়ে সরব হলেও এ বিষয়ে মিয়ানমারের উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জুলাই মাসের চীন সফরের পর বিষয়টি ভিন্নমাত্রা পায়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক উ জিং হাউয়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জুলাই মাসের ২৪ ও ২৫ তারিখ বাংলাদেশ সফর করে। চীনের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম সে সময় জানিয়েছিল, আগস্ট মাসের কোনও একসময় প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনকে মধ্যস্থতায় রাজি করানো এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজটি শুরুর সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের একটি কূটনৈতিক বিজয়।

তবে প্রশ্ন করা যেতেই পারে, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমার কি আসলেই আন্তরিক? নাকি রাখাইনে গণহত্যার দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তির আগে তড়িঘড়ি কিছু লোককে প্রত্যাবাসন করে আন্তর্জাতিক সমালোচনার হাত থেকে নিজেদের বাঁচানো? এই বছরের জুলাইয়ে দ্য গার্ডিয়ানে এবং পরে অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য অস্ট্রেলিয়ানে রাখাইনের স্যাটেলাইট ইমেজ পর্যবেক্ষণ করে দাবি করা হয়েছিল রোহিঙ্গাদের বিধ্বস্ত বাড়িঘর মেরামতের কোনও উদ্যোগই নেয়নি মিয়ানমার সরকার। খবরটি স্বাভাবিকভাবেই রোহিঙ্গাদের মনে শঙ্কার দাগ কেটেছে, তারা ২০১২ সালের মতো আবারও প্রত্যাবাসন শিবিরে গিয়ে বন্দি হতে চায় না।

প্রত্যাবাসন হতে হবে, স্বতঃস্ফূর্ত হলে ভালো, শরণার্থী বিষয়ক আইনে আমরা এটাকে বলি ‘ভলান্টারি রিপেট্রিয়েশন’, আপনার ওপর অত্যাচারের ভয় বা শঙ্কা না থাকলে আপনি এমনিই নিজ গৃহের ফিরে যাবেন বা যাওয়ার জন্যে উদগ্রীব থাকবেন। রোহিঙ্গাদের জন্য সেই অবস্থা কি এখনই সৃষ্টি হয়েছে? প্রত্যাবাসনের এ উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়,এর আগেও বেশ কয়েকবার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রত্যাবাসনের তারিখ ঘোষণা করেছিল দুই দেশ। কিন্তু তখনও সেই পরিকল্পিত প্রত্যাবাসন শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি রোহিঙ্গাদের অনিচ্ছার কারণে। প্রশ্ন হলো, এই ক’মাস সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের আস্থা অর্জনের জন্য উল্লেখ করার মতো এমন কি করা হয়েছে যে তারা যেতে চাইবেন? রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আপনি ঘুরলে তাদের দাবি দাওয়া সংবলিত নানান রকমের ব্যানার চোখে পড়বে। তারা কী চায় সেটা আমলে নিয়ে একইসঙ্গে তাদের বোঝানোর ব্যবস্থা নিতে হবে, কোনও হুমকি বা লাভের আশা দিয়ে কাজ হবে বলে মনে হয় না।

অস্তিত্বের সংকটে ভুগতে থাকা রোহিঙ্গাদের দাবি দাওয়ার ইতিহাস নতুন নয়, সোয়াস বুলেটিন অব বার্মা রিসার্চের সূত্রমতে, ১৯৪৮ সালে রোহিঙ্গা মুজাহিদ পার্টি বার্মা সরকারের কাছে প্রথম ৭ দফা দাবি পেশ করছিলো। ওই ৭ দফা দাবির মধ্যে কালাদান নদীর পশ্চিম তীর থেকে নাফ নদীর পূর্ব তীর পর্যন্ত মুসলিম বার্মিজদের জন্য জাতীয় অঞ্চল ঘোষণা, আরাকানের মুসলিম অধিবাসীদের বার্মিজ জাতীয়তায় অন্তর্ভুক্তি, শিক্ষার অধিকার ও ভাষার স্বীকৃতির দাবি উল্লেখযোগ্য। কালের পরিক্রমায় রোহিঙ্গাদের প্রতি নির্যাতন, সংকট ও তার বিপরীতে তাদের দাবি সবই বেড়েছে। প্রায় প্রতিটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২১ দফা দাবি সংবলিত ব্যানার যে কারোরই চোখে পড়বে। দাবি যতই হোক মূলত রোহিঙ্গা নেতারা এখন তিনটি বিষয়ের নিশ্চয়তা চাচ্ছেন, ১) নাগরিকত্ব ২) জীবনের নিরাপত্তা ও ৩) মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ। আমার কাছে এই তিনটির বাইরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে রোহিঙ্গাদের হারানো আস্থা পুনরুদ্ধার এবং এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি বিষয়।

রোহিঙ্গাদের এই আস্থাহীন অবস্থা একদিনে তৈরি হয়নি, খুব বেশিদূর না গিয়ে আমরা যদি কাছাকাছি উদাহরণ দেখি, ১৯৯১-৯২ সালের সংঘাতের সময় তাদের কথা দিয়ে কথা রাখা হয়নি, সর্বশেষ ২০১২ সালে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঘরছাড়া হয়ে রাখাইন আটটি এলাকায় ৩৫টি অস্থায়ী ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ঘরছাড়া এসব মানুষের প্রায় ৭ বছর ধরে ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপনের চিত্রই মিয়ানমার সরকারের টেকসই প্রত্যাবাসন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। সর্বশেষ আপনি যদি মিয়ানমারের নতুন সংবিধান দেখেন,দেখবেন অনুচ্ছেদ ৪৪৫-এ সকল সরকারি লোকজনকে দায়মুক্তি দেওয়া আছে, এ ধরনের বিধান রেখে আপনি শান্তি পুনর্গঠন করতে পারবেন না।

মিয়ানমার সরকার টেকসই প্রত্যাবাসনে কোনও উদাহরণ সৃষ্টি করতে না পারলেও বিভিন্ন দেশ,সংস্থা এবং জাতিসংঘ এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে রূপরেখা দিয়েছে। ২০১৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখা তার অভিজ্ঞতা এবং এই সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন। ওই ৫ দফার মধ্যে প্রথম দুটিতে তিনি তখনকার চলমান সংঘাত বন্ধের দাবি জানান এবং বাকি তিনটিতে টেকসই প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থার কথা বলেন। টেকসই প্রত্যাবাসনের রূপরেখায় তিনি পঞ্চম দফায় অত্যন্ত জোর দিয়ে কফি আনান কমিশনের সুপারিশমালা নিঃশর্তে  পূর্ণ এবং দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।

জাতিসংঘে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর সেই প্রস্তাব সে সময় দেশ বিদেশে বেশ সমাদৃত হয়। মূলত মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতা ও রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু মুসলিমদের মানবিক উন্নয়নকে সামনে রেখে ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬ জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানকে প্রধান করে ‘দ্য অ্যাডভাইজারি কমিশন অব রাখাইন স্টেট’ নাম একটি কমিশন গঠন করে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি। কফি আনানের নেতৃত্বে মিয়ানমারের ৬ জন এবং নেদারল্যান্ড ও লেবাননের দু’জন নাগরিককে নিয়ে ৯ সদস্যের ওই কমিশন দীর্ঘ এক বছর অনুসন্ধান, যাচাই, বাছাই করে ২৪ আগস্ট ২০১৭-তে একটি রিপোর্ট পেশ করে। আপনি যদি রিপোর্টটি পড়েন দেখবেন কোথাও বাঙালি এবং রোহিঙ্গা শব্দটি নেই, অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে তারা ‘মুসলিম কমিউনিটি অব রাখাইন’ হিসেবে রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করেছে। কমিশন ১২টি ইস্যুতে যে ৮৬টি সুপারিশ করেছিল তা রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে বিশদ ও যথাযথ বলে যে কারও কাছেই মনে হবে। ১২টি ইস্যু ছিল মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার, আইন ও সমতার বিধান,সীমান্ত ইস্যু এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণ, নাগরিকত্ব ও স্বাভাবিকভাবে চলাচলের অধিকার,আইডিপি ক্যাম্প বন্ধ, সাংস্কৃতিক অনুশীলন, বিভিন্ন গোষ্ঠী ও জাতির মধ্যে আন্তঃজাতি আলোচনা, নাগরিক জীবনে অংশগ্রহণ ও আঞ্চলিক সম্পর্কের উন্নয়ন। যেহেতু কফি আনান কমিশনের কাজের ব্যাপ্তি রাখাইনে সর্বশেষ সংগঠিত গণহত্যার ঠিক আগে তাই তারা হয়তো রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সংঘটিত অপরাধের বিচারের বিষয়টি সেভাবে জোর দেয়নি। টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য এই নারকীয় অপরাধের বিচারের দাবি জারি রাখতে হবে।

বাংলাদেশে বর্তমানে অবস্থানকৃত প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ রোহিঙ্গার মধ্যে ৩০৪৫ জন খুব নগণ্য সংখ্যা। তারপরও প্রত্যাবাসনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং অপরিহার্য। ২২ আগস্ট হয়নি কিন্তু নিকট ভবিষ্যতে যদি সফলভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হয় তবে মিয়ানমারের প্রতি বাংলাদেশের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের আস্থা বাড়বে, বাড়বে দেশে ফেরার টান। যেকোনও সংঘাতময় পরিস্থিতির পরে হোক সেটা যুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ, সব থেকে বেশি যেটা দরকার তা হলো ক্ষতিটা মেরামত করা, তার জন্য বিচার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি যে একমাত্র উপায় হবে তা নয়। সংঘাতে যদি শরণার্থী সৃষ্টি হয় তবে প্রথম কাজ হচ্ছে তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য একটা টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যথাযথ বা টেকসই ব্যবস্থা বলতে আমি যেটা বুঝি সেটা হচ্ছে–শরণার্থীরা ফেরত যাওয়ার পর যেন নির্যাতন, নিরাপত্তাহীনতা বা খাদ্যাভাবে না পড়ে। যারা প্রত্যাবাসিত হবে তারা নিজেরা যেন বিষয়টি মনিটরিংয়ে ভূমিকা রাখতে পারে অথবা দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ সৃষ্টি করে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দেখভাল করা যেতে পারে। সহিংস অতীত এবং জাতিগত বিদ্বেষ ছিল এমন দেশের মধ্যে আপনি যদি দক্ষিণ আফ্রিকা, তিউনিশিয়া, কলম্বিয়া ও কম্বোডিয়াকে উদাহরণ হিসেবে ধরেন, শেষেরটি ছাড়া কেউই প্রথাগত বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে যায়নি, কিন্তু তারা অতীতের বিভক্তি,যন্ত্রণা,বঞ্চনা উতরাতে পেরেছে, এজন্য সব থেকে বেশি যেটা দরকার সেটা হলো নিজ সংস্কৃতি এবং লক্ষ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। মিয়ানমার সরকার যদি আন্তরিক থাকে, সেটা অর্জন খুব দুরূহ কোনও কাজ নয়।

রোহিঙ্গাদের আস্থা ফেরানোর কাজটা মূলত মিয়ানমারকেই করতে হবে, বাংলাদেশের কাজ হলো উচ্চপর্যায়ের এই কূটনৈতিক চেষ্টা অব্যাহত রাখা। একই সঙ্গে ক্যাম্পগুলোকে গভীর পর্যবেক্ষণের আওতায় নিয়ে আসতে হবে যাতে গুজব রটনার ঘটনা ঘটতে না পারে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষা এবং সচেতনতা দুটোরই অভাব; সুতরাং কেউ যেন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের প্রত্যাবাসনকে  দীর্ঘায়িত না করতে পারে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) গভীরভাবে লক্ষ রাখতে হবে তাদের কাজের প্রতিও। সর্বোপরি এটা মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ ১৯৫১ সালের শরণার্থী সনদ ও ১৯৬৭ সালের প্রটোকলে স্বাক্ষরকারী দেশ না হয়েও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে স্থান দিয়ে মানবতার অনন্য নজির স্থাপন করেছে। রোহিঙ্গারা মানুষ এবং তাদের মানবাধিকার সবসময়ই বলবৎ,  যা বাংলাদেশ কোনও অবস্থাতেই হরণ বা সীমাবদ্ধ করেনি। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানবিক দুর্দশার যে মূল কারণ তা দূর করতে এতদসংশ্লিষ্ট বহুবিধ বিষয় ও অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো মিয়ানমারকেই  সমাধান করতে হবে এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও পর্যবেক্ষণ একান্তভাবে প্রয়োজন, আর তা করতে হবে অসহায় রোহিঙ্গাদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করেই। বাংলাদেশ সরকার এবং সুশীল সমাজকে লক্ষ রাখতে হবে মিয়ানমারের ওপর অব্যাহত আন্তর্জাতিক চাপের কারণে কিছু লোক দেখানো প্রত্যাবাসন যেন না হয়। প্রত্যাবাসন হতে হবে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে এবং টেকসই।

লেখক:

খায়ের মাহমুদ

সহকারী অধ্যাপক, আইন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

মন্তব্য লিখুন :