ভার্চুয়াল মিউজিয়ামে প্রাচীন ঐতিহ্য দেখে মুগ্ধ শিশুরা

দেশের ঐতিহাসিক সব স্থান ভার্চুয়াল মাধ্যমে ঘুরে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে টাঙ্গাইলের আনন্দপাঠ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ীরা ভিআর হেডসেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি ঘুরে দেখেন ষাট গম্বুজ মসজিদ, পানাম নগরী, বড় সরদারবাড়ি, ছোট সোনা মসজিদ ও এগারো শিব মন্দির। ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ এ প্রদর্শনীর আয়োজন করে।


ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশের ফাউন্ডার ও লিড ডেভেলপার আহামেদ জামান সঞ্জীব বলেন, আমরা চাই দেশের সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ দেখুক, যা শিশুদের এদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি শিক্ষায় একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটা হয়তো একদিনে সম্ভব নয়। কিন্তু ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে দেশের যেকোনো প্রান্তে গিয়ে প্রদর্শনী করতে প্রস্তুত।


দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী নিয়ে আনন্দপাঠ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা ইয়াসমিন মলি বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই শিশুদের আনন্দমূখী শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করছি। ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশের এই বিশেষ প্রদর্শনী এমনই আরেকটি প্রচেষ্টা। স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন দুই শতাধিক শিক্ষার্থীরা নতুন এ প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হলো। যা বর্তমান সময়ের সাথে একই গতিতে এগিয়ে যেতে কিছুটা হলেও সহায়ক হবে বলে আমরা মনে করি।


ভার্চুয়াল মিউজিয়াম বাংলাদেশ চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম ভার্চুয়াল মিউজিয়াম হিসেবে প্রটোটাইপের উদ্বোধন করে। এরপর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সহ বেশ কয়েকটি স্থানে প্রদর্শনী’র আয়োজন করা হলেও ঢাকার বাইরে এবারই প্রথম।


উল্লেখ্য, ভার্চুয়াল জাদুঘরে এরইমধ্যে বাংলাদেশের ৬টি ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। স্থানগুলো হলো- ষাট গম্বুজ মসজিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ, সোনারগাঁওয়ের বড় সরদার বাড়ি, নারায়ণগঞ্জের পানাম নগর, দিনাজপুরের কান্তজির মন্দির ও যশোরের ১১ শিবমন্দির। যে কেউ virtualmuseumbd.com ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারেন এবং একটি ভিআর হেডসেটের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি এই ছয়টি স্থান সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন।