ন্যানো স্যাটেলাইটের যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ

Nano, Satellite, Bangladesh
ad

জাগরণ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রথম ক্ষুদ্রাকৃতির কৃত্রিম উপগ্রহ বা ন্যানো স্যাটেলাইট ‘ব্র্যাক অন্বেষা’ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে ন্যানো স্যাটেলাইটের যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ।

রবিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টা ৭মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন-৯ রকেটে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে রওনা দেয়।

এই স্যাটেলাইটের গবেষক ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী কাফি, মাইসুন ও অন্তরা।

যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আইএসএসগামী ‘ড্রাগন’ কার্গো মহাকাশযানটি সব মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার পাউন্ড বা অন্তত ২ হাজার ৭২১ কেজি পরিমাণ প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী নিয়ে গেছে। ন্যানো স্যাটেলাইটটি মহাকাশে উৎক্ষেপণের পর এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমেই মহাকাশ থেকে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, নদী, ফসলের মাঠ থেকে শুরু করে নগর-পাহাড়-সাগর -সবকিছুরই পর্যায়ক্রমিক আলোকচিত্র পাওয়া যাবে।

জানা গেছে, স্যাটেলাইটটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিলোমিটার ওপরের কক্ষপথে উৎক্ষেপণের পর এটি প্রতিদিন ১৬ বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করবে। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ঘুরে যাবে দিনে চার থেকে পাঁচবার। এ সময় কৃত্রিম উপগ্রহটি থেকে ছবিও ডাউনলোড করা যাবে। এটির দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতায় ১০ সেন্টিমিটার করে। ওজনে প্রায় এক কেজি। এই কৃত্রিম উপগ্রহের গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন বা ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণের স্থান ঢাকায় অবস্থিত। তাই কক্ষপথে যখনই এটি পৌঁছাবে, তখন থেকেই ঢাকায় বার্তা গ্রহণ শুরু হয়ে যাবে।

ad