ফোর-জি তরঙ্গ নিল গ্রামীণ ফোন ও বাংলালিংক

Four-G wave, 5 thousand 26 crores 51 million taka, auction,
ad

জাগরণ ডেস্ক: ফোর জি তরঙ্গের নিলাম এবং প্রযুক্তি নিরপেক্ষতার সুবিধা বিক্রি করে ভ্যাটসহ পাঁচ হাজার ২৮৯ কোটি টাকা আয় করেছে সরকার। নিলামে উন্নত মোবাইল সেবাদানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ তরঙ্গ নতুন করে কিনেছে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণ ফোন ও বাংলালিংক। বাংলালিংক ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ৫.৬ ও ২১০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্টজ ব্যান্ড তরঙ্গ কেনে। গ্রামীণ ফোন ১৮০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ৫ মেগাহার্টজ ব্যান্ড তরঙ্গ কিনে নেয়।

মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (বিটিআরসি) আয়োজিত নিলামে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাজাহান মাহমুদের উপস্থিতিতে এ নিলাম শুরু হয়।

বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, আশা করছি মোবাইল ফোন অপারেটরদের কোয়ালিটি অব সার্ভিস ভালো হবে।

তিনি মালয়েশিয়া ও জার্মানির উদাহারণ দিয়ে বলেন, ১ মেগাহার্টজ তরঙ্গ দিয়ে তাদের তুলনায় বাংলাদেশ ১৫ গুণ বেশি মোবাইল ব্যবহারকারীকে সেবা দেয়। ফলে সেবার মান বাংলাদেশে খারাপ নয়।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা টেক নিউট্রালিটি দিয়েছি, তরঙ্গ দিয়েছি। এখন বলতে পারবেন না এগুলো নেই। আপনারা গ্রাহক বাড়াচ্ছেন কিন্তু তরঙ্গ বাড়াচ্ছিলেন না। এই নেই নেই অবস্থা এখন আর নেই।

তিনি বলেন, আপনারা যদি বিষয়টি উপলব্ধি করেন তাহলে ভালো হয়। গ্রাহকদের মোবাইল সেবার ব্যাপারে ত্রুটি থাকবে, এটা মেনে নেয়া যাবে না। আমার কাছে গুণগত মানই প্রথম অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, মোবাইল ফোন সেবায় অনেক সমস্যা রয়েছে। এরমধ্যে কলড্রপ একটি বড় সমস্যা। এমনও দেখা গেছে একটি কলে আটবার পর্যন্ত কলড্রপ হয়েছে। এটা চলতে দেয়া যাবে না। এসব সমস্যা দূর করতে হবে।

গ্রামীণ ফোন ও বাংলালিংকের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নতুন কেনা তরঙ্গ দিয়ে আরও উন্নতমানের মোবাইল ফোন সেবা দেয়া সম্ভব হবে। এতে কল ড্রপ (কথা বলার সময় হঠাৎ করে লাইন কেটে যাওয়া), ও নেটওয়ার্ক সমস্যা দূর হবে। এছাড়া এই তরঙ্গ দিয়ে আমরা ফোর-জি সেবা দিতে পারবো।

ফোর-জি নীতিমালা অনুসারে ১৮ মাসের মধ্যে সবগুলো জেলা শহরে নতুন প্রজন্মের এ সেবা চালু করতে হবে। এছাড়া ৩৬ মাসের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে এ সেবা দিতে হবে। তবে শুরুর দিকে শুধু বড় শহরেই এ সেবা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ad