জেরার্ড পিকের কারণেই হেরেছে স্পেন!

pique
ad

স্পোর্টস ডেস্ক: রাশিয়ার সাথে টাইব্রেকারে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে স্পেনকে। ওই ম্যাচে টাইব্রেকারে গোল করতে ব্যর্থ হন স্পেনের লাগো আসপাস ও রদ্রিগো। তাছাড়া, গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়াও পারেননি সেভ করতে। তবে এসব ছাপিয়ে উঠে আসছে একটি বিষয়। তা হলো, ম্যাচের ৪০ মিনিটে হওয়া সেই পেনাল্টি।

কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হেড করেন আর্তেক জিউবা। হেড করার জন্য লাফিয়ে উঠেছিলেন জেরার্ড পিকেও।  তার সাথে উঠে তার হাতও। এই হাতই কাল হয় স্পেনের। জিউবার হেড গিয়ে আঘাত হানে পিকের হাতে। রেফারি যেন সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিলেন। দিলেন বাজিয়ে বাঁশি। পেনাল্টি। স্প্যানিশ ফুটবলাররা প্রতিবাদ জানালেন। কিন্তু উল্টো পিকেকে হলুদ কার্ড দেখতে হলো।

আর জিউবা মিস করলেন না তার সুযোগ। বিশ্বকাপে নিজের গোল বাড়িয়ে করলেন তিনটি। এরপর আর কোনো দলই গোলের দেখা পাননি। শেষে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হেরে যায় স্পেন। স্পেনের হয়ে পেনাল্টিতে গোল করতে পারেননি আসপাস ও রদ্রিগো।

তবে তাদের গোল না করার বিষয়টি স্পেনের মানুষ ভাবছে না। তাদের সবার ভাবনাজুড়ে পিকের সেই ভুল। তাদের মতে, পিকের কারণেই হারতে হয়েছে স্পেনকে।

কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক উঠে গেছে এই পেনাল্টি নিয়েও, রেফারি পক্ষপাতিত্ব করলেন না তো! নাইজেরিয়ার বিপক্ষে যেমন আর্জেন্টিনার রোহোর হ্যান্ডবলে পেনাল্টি দিলেন না রেফারি, তেমনি একই হ্যান্ডবলে পেনাল্টি দিয়ে দিলেন?

পিকের ঘনিষ্ট বন্ধু ও সতীর্থ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস অবশ্য দুষেছেন পিকেকেই, তার ভাষ্য, হ্যাঁ, সে আমার ঘনিষ্ট বন্ধুদের মধ্যে একজন। তবে আমি এই জায়গায় তার পক্ষ নিতে পারছি না।

সাবেক ক্লাব সতীর্থ রিও ফার্ডিনান্ডের দাবি, তার বন্ধু রেফারিকে বোকা বানাতে চেয়েছিলেন, ‘সে আমার বন্ধু। তবে সে মিথ্যা বলেছে।’

গ্যারি লিনেকারও অবশ্য পক্ষ নিয়েছেন পিকের।এই ঘটনায় বার্সা তারকার দোষ দেখছেন না তিনি। ইংল্যান্ডের সাবেক এই তারকা বলেন, পিকে ঠিকই বলছিলেন। যখন আপনি লাফ দেবেন, তখন আপনার হাত উঠবেই।

২০১০ বিশ্বকাপজয়ী দলটি এবারও ব্যর্থতার বৃত্ততেই বন্দী থেকেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপে তারা বাদ হয়েছিল প্রথম রাউন্ড থেকেই। আর এবার তারা বাদ হলো দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই। সব মিলিয়ে দেশের মানুষ কিছুটা ক্ষেপে আছে খেলোয়াড়দের উপর। তবে তারা সব ক্ষোভটা ঝাড়ছে পিকের উপর।

ad