টাইগারদের সিরিজ হার

afgan win the seriez
ad

স্পোর্টস ডেস্ক: মাত্র ১৩৪ রানের পুঁজি নিয়ে দারুণ বলিংফ করে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছিল বাংলাদেশ। শেষ ২ ওভারে আফগানিস্তানের দরকার ছিল ২০ রান। কিন্তু এই রান মোহাম্মদ নবী তুলে নেন ১৯তম ওভারে রুবেলের করা ৫ বলেই। তাতে টি-২০ সিরিজ হেরে এখন হোয়াইটওয়াশের আশঙ্কায় টাইগাররা। 

১৮তম ওভারে ৪৯ রান করা শিনওয়ারিকে বোল্ড করে ম্যাচ জমিএ তুলেছিলেন মোসাদ্দেক। তার খানিক আগে তিনি আফগানিস্তানের অধিনায়ক স্টানিকজাইকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে তাকে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়েছিলেন তাও শেষ রক্ষা হয়নি। নবীর ১৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসের শেষদিকে আবু হায়দার রনি ১৪ বলে ১ চার ও ২ ছক্কার মারে অপরাজিত ২১ রানের ইনিংসের বদৌলতে ১৩৪ রানের স্কোর পায় বাংলাদেশ। বোলিংয়ে নেমে অপু দারুণ বোলিং করলেও সাকিব দিয়ে নেন অনেক রান। আর এমন সময় টাইগারদের হয়ে বল হাতে শাহজাদকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে ব্রেক থ্রু আনেন রনি।

পরে রুবেল দলের হয়ে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন। তার বলে ঘানি মিড অফে সৌম্যর চমৎকার ক্যাচে বিদায় নিয়েছেন ২১ রান করে।

মঙ্গলবার (৫ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় ভারতের দেরাদুনের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ রশিদ খানের স্পিনে দ্রুত ৪ উইকেট হারানো দলটি ১০৮ রানে হারিয়ে ফেলে ৮ উইকেট। তখন ১২০ রানও বেশ দূরের পথ। সেটা পারি দিয়ে আরও খানিকটা বাংলাদেশ এগোতে পারল আবু হায়দারের ব্যাটে।

বাংলাদেশের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৩ বলে ১ রান করে শাপুর জাদরানের বলে রশিদ খানের হাতে ধরা পড়েন। ৯ বলে ১৩ রান করে ফিরে যান সাব্বির মুজিব-উর-রেহমানের অফ স্পিনে সাব্বির বেরিয়ে এসে উড়াতে চেয়েছিলেন নবীকে। টাইমিং করতে পারেননি, সীমানার বেশ সামনে সাব্বির ধরা পড়েন সামিউল্লাহ সিনওয়ারির হাতে।

দারুণ গতিতে এগোচ্ছিল তামিম ইকবালের সঙ্গে মুশফিকুর রহিমের জুটি। বিপজ্জনক এই জুটি ভাঙেন নবী। ১৮ বলে ২২ রান করা মুশফিক তার বলে স্টাম্পড হয়ে ফিরে যান তামিমের সাথে ৪৫ রানের জুটি গড়ে।

ক্রিজে এসেই নবীকে ছক্কার পর করিম জানাতের বলে বাউন্ডারি তুলে নেন রিয়াদ। তার ব্যাটে ছিল ঝড়ের পূর্বাভাস। কিন্তু সেই ঝড় তুলতে দিলেন না জানাত। তিনি বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন রিয়াদকে। ৮ বলে ১৪ রান করে ফিরে যান রিয়াদ।

তামিম ইকবালকে বোল্ড করে বিদায় করেন রশিদ খান। ৪৮ বল খেলে পাঁচটি চার মেরে তিনি ফেরেন ৪৩ রান করে। পরে রশিদ খানের গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড হয়ে যান মোসাদ্দেক কোনো রান না করেই। সৌম্য ৯ বলে ৩ রান করে রশিদ খানকে উড়ানোর চেষ্টায় ফিরে গেছেন সীমানায় ক্যাচ দিয়ে। তখন টাইগারদের স্কোর ৮ উইকেটে ১০৮।

তারপর রনির শেষ দিকের ঝড়ে ১৩৪ রানের স্কোর পায় বাংলাদেশ। অপু ৩ বলে ১ চারে অপরাজিত ছিলেন ৬ রানে।

ad