টাইব্রেকারে কলম্বিয়ার বিদায়, শেষ আটে ইংল্যান্ড

England
ad

স্পোর্টস ডেস্ক: নির্ধারিত এবং অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ গোলের সমতায় শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারের চরম নাটকীয়তায় কলম্বিয়াকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের অষ্টম ও শেষ দল হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড।

মঙ্গলবার (৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১২টায় স্পার্টাকে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হয়।

ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ইংল্যান্ডের পাওয়া একটি কর্নার কিকের সময়ে কার্লোস সানচেজ ডি বক্সের ভেতরে হ্যারি কেইনকে বাজেভাবে ফাউল করেন। তাতে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান এবং সানচেজকে হলুদ কার্ড দেখান।

রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে থাকেন কলম্বিয়ার খেলোয়াড়রা, তাতে খেলা প্রায় ৪ মিনিট বন্ধ থাকে। পরে ৫৭ মিনিটে কেইন পেনাল্টি থেকে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন।

জয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ইনজুরি সময় বেঁধে দেয়া হয় ৫ মিনিট। ইনজুরি সময়ের ২ মিনিটের মাথায় মাটেউসের জোরালো গতির শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন ইংলিশ গোলকিপার জন পিকফোর্ড।

পরের মিনিটে জুয়ানের কর্নার কিক থেকে বল পেয়ে ইয়েরি মিনা হেড করে গোল করলে ইংল্যান্ডকে হতাশায় ডুবিয়ে খেলাটি অতিরিক্ত সময়ে নিতে সক্ষম হয় কলম্বিয়া। পরে অতিরিক্ত সময়ে কেউ গোল না করায় খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়।

টাইব্রেকারের প্রথম শটে কলম্বিয়ার হয়ে গোল করেন রাদামেল ফ্যালকাও এবং ইংল্যান্ডের হয়ে গোল করেন হ্যারি কেইন। দ্বিতীয় শটে জুয়ান কুয়াড্রাডো এবং মার্কাস রাশফোর্ড গোল করলে স্কোর দাঁড়ায় ২-২।

তৃতীয় শটে কলম্বিয়ার ড্যানি ওয়েলবেক গোল করলেও ইংল্যান্ডের জর্ডান পিকফোর্ডর বল অসপিনা ঠেকিয়ে দিলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। কিন্তু চতুর্থ শট নেয়া মেটসুল উরিবের বল বারে লেগে ফিরে আসলে এবং কিয়েরান ট্রিপ্পিয়ের গোল করলে স্কোর দাঁড়ায় ৩-৩।

শেষ শটে কার্লোস বাকার গোল ঠেকিয়ে দেন ইংলিশ গোলকিপার পিকফোর্ড। পরে এরিক ডিয়া গোল করার সাথে সাথে শেষ আটে চলে যায় ইংল্যান্ড কলম্বিয়া।

) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১২টায় স্পার্টাকে শুরু হওয়া ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হয়।

ম্যাচের ৫৩ মিনিটে ইংল্যান্ডের পাওয়া একটি কর্নার কিকের সময়ে কার্লোস সানচেজ ডি বক্সের ভেতরে হ্যারি কেইনকে বাজেভাবে ফাউল করেন। তাতে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান এবং সানচেজকে হলুদ কার্ড দেখান।

রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে থাকেন কলম্বিয়ার খেলোয়াড়রা, তাতে খেলা প্রায় ৪ মিনিট বন্ধ থাকে। পরে ৫৭ মিনিটে কেইন পেনাল্টি থেকে গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন।

জয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ইনজুরি সময় বেঁধে দেয়া হয় ৫ মিনিট। ইনজুরি সময়ের ২ মিনিটের মাথায় মাটেউসের জোরালো গতির শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন ইংলিশ গোলকিপার জন পিকফোর্ড।

পরের মিনিটে জুয়ানের কর্নার কিক থেকে বল পেয়ে ইয়েরি মিনা হেড করে গোল করলে ইংল্যান্ডকে হতাশায় ডুবিয়ে খেলাটি অতিরিক্ত সময়ে নিতে সক্ষম হয় কলম্বিয়া। পরে অতিরিক্ত সময়ে কেউ গোল না করায় খেলাটি টাইব্রেকারে গড়ায়।

ad