তামিম-মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরিতে দেড়শো পার বাংলাদেশের

india bangladesh
ad

স্পোর্টস ডেস্ক: চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত সৌম্য আর সাব্বিরের বিদায়ে চাপে পড়ার পর তামিম এবং মুশফিকের জুটিতে ভালো অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে তাদের অর্ধশত রানের জুটিতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত টাইগারদের সংগ্রহ ৩০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬১ রান। 

তামিম ৮২ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ব্যক্তিগত ৭০ রান করে কেদার যাদবের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলেও মুশফিক ৫৫ রানে এবং সাকিব ৪ রানে অপরাজিত আছেন।

ম্যাচের প্রথম ওভারেই ব্যাট চালাতে শুরু করেন সৌম্য। ফলও হাতেনাতে পেয়েছেন এই বাহাতি ব্যাটসম্যান। ভুবনেশ্বর কুমারের একটি ইন সুইংয়ে ক্রস ব্যাট চালাতে গিয়ে স্টাম্প হারিয়েছেন সৌম্য। বাংলাদেশের রান তখন কেবল ১।

সৌম্যর বিদায়ের পর আত্মবিশ্বাসী হয়ে খেলতে থাকেন সাব্বির। সতর্ক শুরু করেন দারুণ ফর্মে থাকা তামিম। চার হাঁকিয়ে শুরু করা সাব্বির রহমান খেলেন আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। জাসপ্রিত বুমরাহ ও ভুবনেশ্বর কুমারকে হাঁকিয়েছেন দুটি করে চার। তৃতীয় ওভারে ভুবনেশ্বরকে এগিয়ে এসে দারুণ এক চার মারেন তিনি।

এরপরেই সাব্বিরের ছন্দপতন। আগের ১৩টি বল গেল ডট, সেই চাপেই ধৈর্য হারিয়ে ভুবনেশ্বর কুমারের অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের স্লোয়ার বলে চড়াও হতে গিয়ে ক্যাচ দেন পয়েন্টে। আর সাব্বিরের নিজের দোষেই শেষ হয় তার ইনিংসের। দলীয় রান তখন ৩১।

দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর লড়াই শুরু করেন তামিম এবং মুশফিক। তামিম শুরুতে ধীর গতিতে ব্যাটিং করলেও পরে আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকেন। মুশফিক সাবলীলভাবে ক্রিজে এসে রান তুলে নিচ্ছেন। তারা তুলে নিয়েছেন তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১২৩ রান। ১৩তম ওভারে পান্ডিয়ার বলে তামিম বোল্ড হলেও নো বলের কল্যাণে বেঁচে যান। আর তাতেই তিনি তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩৮তম সেঞ্চুরি।

ad