পদত্যাগ করলেন বিসিবির প্রধান নির্বচক ফারুক আহমেদ

ad

খেলোয়ার নির্বাচন পদ্ধতিতে অভিনব একটি স্তরের সংযোজনের প্রতিবাদ স্বরুপ পদত্যাগ করলেন প্রধান নির্বচক ফারুক আহমেদ। রবিবার দুইস্তর বিশিষ্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া বিসিবির সভায় অনুমোদন পেলে পদ থেকে সরে দাড়ানোর সিধান্ত জানান সাবেক সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক।

নির্বাচন প্যানেলে ফারুক আহমেদ কে প্রধান নির্বাচক করে তার সহকারী হিসেবে বাংলাদেশ দলের প্রাক্তন খেলোয়ার মিনহাজুল আবেদীন ও হাবিবুল বাশারের পরিবর্তে সাজ্জাদ আহমেদ কে নিয়োগ ‍দিয়েছেন বিসিবি। আর বিতর্কিত নির্বাচক কমিটির অংশে আছেন কোচ, ম্যানেজার এবং ক্রিকেট অপারেশন কমিটির চেয়ারম্যান। দুই স্তরে বিভক্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রস্তাবনা উঠলে অনাস্থা জ্ঞাপন করেন ফারুক আহমেদ এমনকি প্রস্তাবনাটি অনুমোদিত হলে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছিলেন দ্যা ডেইলি স্টার কে । তাই যুক্তরাষ্ট্র  থেকে খবর পেয়ে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্রিক ইনফো কে।

তার মতে একটি প্রচলিত সফল প্রক্রিয়াকে পরিবর্তনের প্রতিবাদ স্বরুপ তার এই পদত্যাগ। প্রায় একদশক ধরে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত থাকা সাবেক টাইগার অধিনায়ক মনে করেন নতুন খেলোয়ার নির্বচন পদ্ধতিতে নির্বাচকদের স্বাধীনতা খর্ব হবে।

নতুন পদ্ধতিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে- নির্বাচক প্যানেল ও নির্বাচক কমিটি। নির্বাচক প্যানেল দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খেলোয়ার বাঁছাই করে তার রিপোর্ট নির্বাচক কমিটির কাছে জমা দিবেন। তারপর তা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট দ্বারা চূড়ান্ত হবে। যদিও নির্বাচক কমিটিতে কোচ ও ম্যানেজারের অন্তর্ভূক্তি নিয়ে গণমাধ্যম ও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তুমুল বিতর্কের ঝড় ওঠে।

প্রথম মেয়াদে ২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি বিসিবির নির্বাচকের ভূমিকা পালন করেন। এসময় তার সাহসী কিছু পদক্ষেপ বেশ প্রশংসনীয়। ২০০৭ সালে বিশ্বকাপে খালেদ মাসুদের পরিবর্তে মুসফিকুর রহিমকে দলে ভেড়ান তিনি, সেই মুসফিক এখন বাংলাদেশ জাতীয় দলেরে এক জন অন্যতম সেরা খেলোয়ার এবং টেস্ট দলের অধিনায়ক। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে ২০১৩ সালে প্রধান নির্বাচক হলে বেশ কিছু পদক্ষেপে সমালোচিতও হন তিনি। ২০১৪ সালের এশিয়া কাপের দল নির্বাচনে অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের সাথে পরামর্শ  না করা এবং ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের দলে কোচের চাহিদা অনুযায়ী জোবায়ের কে দলে না রাখাতে তিনি বিসিবির একটি মহলের বিরাগভাজন হন তিনি।

ad