সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বুমরাহর নো বল!

Road accidents, prevention, boomarah, no ball
ad

স্পোর্টস ডেস্ক: চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ফখর জামানকে করা জাসপ্রিত বুমরাহর নো বল নিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞাপনে কাজে লাগিয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে জয়পুর ট্রাফিক পুলিশ। স্বাভাবিকভাবেই তাতে চটে গিয়েছেন বুমরাহ।

বুমরাহর ওই ‘নো’ বলকেই এখন বিজ্ঞাপন হিসেবে ব্যবহার করছে জয়পুর ট্রাফিক পুলিশ। লাইন পেরিয়ে গেলে কতটা মূল্য দিতে হয়, সেটারই প্রচারণা চালাচ্ছে তারা বুমরাহর ‘নো’ বলের ছবি ও সড়ক দুর্ঘটনার চিত্রকে একসঙ্গে মিলিয়ে। সেই নো বলটাকে ইতিবাচক অর্থে ব্যবহার করছে দেশটি।

বিজ্ঞাপনে একটি জেব্রা ক্রসিংয়ের সামনে দুটি গাড়ি দাঁড়িয়ে। তাদের লাইন পেরিয়ে আসতে বারণ করা হচ্ছে। বুমরাহর সেই নো বলের ছবি দেখিয়ে বলা হচ্ছে, এই লাইন পার হবেন না। আপনি জানেন এর ফল কতটা মারাত্মক হতে পারে!

ছবি ও ক্যাপশনের মাধ্যমে জয়পুর ট্রাফিক পুলিশ বোঝাচ্ছে, বুমরাহ লাইন পেরিয়ে বল করায় চড়া মূল্য দিতে হয়েছে ভারতকে, তেমনি ট্রাফিক আইন মেনে না চললে রাস্তায় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। ক্রিকেট মাঠের মতো নিজের জীবনেও দিতে হতে পারে চড়া মূল্য। শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নয়, গোটা শহরে বিলবোর্ডের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই ছবি ও বার্তা। তরুণ সমাজ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ওই ‘নো’ বল থেকে রাস্তায় চলাচলের শিক্ষা নেবে বলেই বিশ্বাস জয়পুর ট্রাফিক পুলিশের।

পুলিশ যেভাবেই ব্যবহার করুক, বুমরার কাছে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ২৩ বছর বয়সী ভারতীয় পেসার তাই টুইট বার্তায় জয়পুর পুলিশের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন, ‘ভালো করেছে জয়পুর পুলিশ। তারা বুঝিয়েছে, দেশের হয়ে সেরাটা দেওয়ার পর আপনি কতটা সম্মান পাবেন।

আরও একটি টুইট করেছেন বুমরাহ, চিন্তার কারণ নেই। আপনারা নিজেদের কর্মস্থলে যেসব ভুল করেন, সেটি নিয়ে মজা করব না। আমি মনে করি, মানুষ মাত্রই ভুল করে।

বুমরাহর টুইটের পর জয়পুর পুলিশ লিখেছে, বুমরাহকে অপমান করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না। তাদের লক্ষ্য শুধু ট্রাফিক আইন নিয়ে আরও সচেতনতা বাড়ানো। বুমরাহ, আপনি তরুণদের আইকন। আমাদের সবার প্রেরণা।

উল্লেখ্য, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে জাসপ্রিত বুমরাহর পা লাইন পেরিয়ে না গেলে ফখর জামান বিদায় নিতেন শুরুতেই। তখন অসাধারণ সেঞ্চুরির দেখাও পেতেন না এই ওপেনার, পাকিস্তানের রানও হয়তো যেত না ৩৩৮ পর্যন্ত। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে হারের যন্ত্রণাটা এখনো ভুলতে পারেনি ভারত জয়পুর ট্রাফিক পুলিশের এমন কাণ্ড তা ভালো করেই বুঝিয়ে দিয়েছে।

ad