ফ্রান্সের শক্তি যেখানে দুর্বলতা যেখানে

France
ad

স্পোর্টস ডেস্ক: এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে তারুণ্য নির্ভর দল ফ্রান্স। এই দলে জায়গা পেয়েছে হালের সেনসেশন ওসমান ডেম্বেলে ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকারা। এবার বিশ্বকাপ জয়ের জন্যই খেলতে যাবে দলটি। কোচ দিদিয়ের দেশমের অধীনে বাছাইপর্বে দারুণ খেলেছে তারা। বিশ্বকাপের মূল পর্বেও তারা ভালো কিছু করবে বলে আশা দেশমের।

ফ্রান্সের এবারের দলটিতে রয়েছে সাতজন স্ট্রাইকার। তবে তাদের বেশিরভাগই তরুণ। যারা বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এখনো খেলেনি। মূলত এটিই তাদের প্রধান দুর্বলতা। তবে এই দলের শক্তি হচ্ছে তাদের মিডফিল্ডে। এখানে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশ্রন রয়েছে।

শক্তি যেখানে

এবার ফ্রান্সের গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন হুগো লরিস। টটেনহামের এই গোলকিপার আছেন অসাধারণ ফর্মে। দ্বিতীয় গোলকিপার স্টিভ মান্দানাও আছেন ফর্মে। এটি অন্য দলগুলোর চেয়ে তাদের এগিয়ে রাখবে।

ফ্রান্সের সেন্ট্রাল ডিফেন্স এবার সামলাবেন বার্সেলোনার স্যামুয়েল উমতিতি ও রিয়াল মাদ্রিদের রাফায়েল ভারানে। এই দুই তারকাকে যে ফাঁকি দেওয়া কতটা কঠিন তা সবারই জানা।

ফ্রান্সের মিডফিল্ড সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেডের পল পগবা, চেলসির এনগালো কান্তে, জুভেন্টাসের ব্লেইসি মাতুইদি ও বায়ার্নের তেলিসো। এখানেই আসলে তাদের মূল শক্তি। পগবা আর কান্তে এখন ফর্মের তুঙ্গে আছেন। তাদের ব্যাকআপ দেয়ার জন্য মাতুইদি বেশ ভালো।

স্ট্রাইকার হিসেবে বাম পাশে খেলবেনে এমবাপ্পে। ১৯ বছর বয়সী এই তারকার গতি ও পাসিং ক্ষমতা অসাধারণ। তিনি একাই পাল্টে দিতে পারেন ম্যাচের ফল। মাঝখানে খেলা গ্রিজম্যান তো বর্তমান সময়ের সেরা স্ট্রাইকারদের একজন।

দুর্বলতা যেখানে

ফ্রান্সের মূল দুর্বলতাটা হচ্ছে তাদের রাইটব্যাক ও লেফটব্যাকে। রাইটব্যাকে সিদিবে ও  লুকাস হার্নান্দেস থাকলেও দু’জনের অবস্থাই ভালো না। লেফটব্যাকে বেঞ্জামিন মেন্ডির ফর্মও বেশ খারাপ। এটাই সবচেয়ে বেশি ভোগাবে ফ্রান্সকে।

স্ট্রাইকিংয়ে এই দলটির সমস্যাটা হচ্ছে অলিভার জিরুড ও ডেম্বেলের ফর্ম। ইনজুরির পর থেকেই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন ডেম্বেলে। অলিভার জিরুডও এবার খুব একটা ফর্মে নেই। তাই লেফট উইঙ্গার নিয়ে বেশ ভাবনাতেই পড়েছেন দেশম।

এই দলটির আরেক সমস্যা হচ্ছে অভিজ্ঞতা। তাদের দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই তরুণ। বড় ম্যাচে এখনো খেলা হয়নি তাদের। বিশ্বকাপের চাপ তারা সামলাতে পারবেন কিনা সেটাই ভাবনার বিষয়।

২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল :

গোলরক্ষক : হুগো লরিস, স্টিভ মানদান্দা, আলফোনসে আরিওলা।

ডিফেন্ডার : লুকাস হার্নান্দেজ, প্রেসনেল কিমপেম্বে, বেঞ্জামিন মেন্দি, বেঞ্জামিন পাভার্ড, আদিল রামি, জিব্রিল সিদিবে, স্যামুয়েল উমতিতি, রাফায়েল ভারানে।

মিডফিল্ডার : এনগুলো কান্তে, ব্লেইস মাতুইদি, স্টিভেন এনজোনজি, পল পগবা, ক্লোরেনতিন তোলিসো।

ফরোয়ার্ড : ওসমান ডেম্বেলে, নাবিল ফেকির, অলিভার জিরু, আন্তোনিও গ্রিজম্যান, থমাস লেমার, কিলিয়ান এমবাপে, ফ্লোরিয়ান থাওভিন।

ad