নাপোলির কাছে হেরেই গেলো চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শুরুতেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখল লিভারপুল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে উড়তে থাকা দলটি শেষ দিকে দুই গোল হজম করে নাপোলির কাছে হেরেই গেলো।

সপ্তম মিনিটে আদ্রিয়ান রুইজের দুটি প্রচেষ্টা লিভারপুল গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেওয়ার পর হেডে জাল খুঁজে নিয়েছিলেন লোসানো, কিন্তু রেফারি অফসাইডের বাঁশি বাজালে স্বাগতিক সমর্থকদের হতাশ হতে হয়।

২৪তম মিনিটে নাপোলি গোলরক্ষকের প্রথম পরীক্ষা নেয় প্রিমিয়ার লিগে টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে শীর্ষে থাকা লিভারপুল। তবে জর্ডান হেন্ডারসনের বাড়ানো বল ধরে সাদিও মানের নেওয়া শটে গতি ছিল না বেশি। কর্নারের বিনিময়ে ফেরাতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি মেরেটকে।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে লিভারপুলের তারকা ফরোয়ার্ড মোহমেদ সালাহর শট দূরের পোস্টের বেশ বাইরে দিয়ে যায়। রবের্তো ফিরমিনোর হেডও বেরিয়ে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মারিওর ক্রসে লাফিয়ে উঠে ড্রিস মের্টেন্স পা ছোঁয়ানোর পর বল আদ্রিয়ানের গ্লাভসে লেগে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে গেলে বেঁচে যায় লিভারপুল। 

৫৬ তম মিনিটে প্রতি-আক্রমণ থেকে এগিয়ে যাওয়ার ভালো একটি সুযোগ নষ্ট হয় লিভারপুলের। আক্রমণে ওঠা সাদিও মানে ডি-বক্সের বাঁ দিকে থাকা সালাহকে ক্রস বাড়িয়েছিলেন নিজে শট না নিয়ে। বলের গতি বেশি থাকায় মিশরের ফরোয়ার্ড ঠিকঠাক নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি। তালগোল পাকিয়ে পারেননি শট নিতেও।

৬৫ তম মিনিটে ডিফেন্ডারের ভুলে পাওয়া বলে সালাহর শট ঝাঁপিয়ে পড়ে গ্লাভস ছুঁইয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান নাপোলি গোলরক্ষক। একটু পর ফিরমিনোর ফিরতি পাস থেকে মানের শট জমে যায় গোলরক্ষকের গ্লাভসে।

স্পট কিক থেকে ৮২ তম মিনিটে নাপোলিকে এগিয়ে নেন মের্টেন্স। ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে হাত ছোঁয়াতে পারলেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি আদ্রিয়ান। ডি-বক্সে অ্যান্ড্রু রবার্টসন কায়োহনকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে লিভারপুলের রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোলমুখ থেকে সহজেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফের্নান্দো লরেন্তে।

মন্তব্য লিখুন :