স্কটল্যান্ডই প্রথম নয়, হংকংয়ের সাথেও হার আছে টাইগারদের

টি-২০ বিশ্বকাপের মিশনের শুরুতেই স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে বসেছে বাংলাদেশ। অথচ শক্তি আর অভিজ্ঞতার বিবেচনায় বাংলাদেশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে স্কটল্যান্ড। কিন্তু সেই স্কটল্যান্ডই টাইগারদের হারিয়ে ফেলে দিয়েছে অজানা শঙ্কায়। অবশ্য ছোট দলগুলোর সাথে এটাই বাংলাদেশের প্রথম পরাজয় নয়, এর আগেও হেরেছে বাংলাদেশ।


নেদারল্যান্ডসের হেগে স্কটিশ ওপেনার রিচি ব্যারিংটনের শতকে স্কটল্যান্ডের ১৬২ রানের জবাবে মুশফিকুর রহিমের বাংলাদেশ করেছিল মোটে ১২৮ রান।


এর বাইরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দুইবার আইসিসির দুটি সহযোগি সদস্য দেশের কাছে হেরেছে। প্রথমবার আয়ারল্যান্ডের কাছে, ২০০৯ সালের বিশ্বকাপে। ৯ জুন ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামে বিশ্বকাপ টি টোয়েন্টির ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে তখনকার নন টেস্ট প্লেয়িং কান্ট্রি আয়ারল্যান্ডের কাছে ৬ উইকেটে হেরেছিল আশরাফুলের দল। ১৩৭ রানের ছোট পুঁজি গড়ে আইরিশদের আটকে রাখতে পারেনি টিম বাংলাদেশ। ১০ বল আগেই আইরিশরা পৌঁছে গিয়েছিল জয়ের বন্দরে।


এরপরের হার দেশের মাটিতে এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির বাছাই পর্বে। সেবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আইসিসির সহযোগি সদস্য হংকংয়ের কাছেও হেরেছিল বাংলাদেশ।


২০১৪ সালের ২০ মার্চ মাসে হংকংয়ের কাছে ২ উইকেটের করুন পরাজয় গ্রাস করেছিল মুশফিকুর রহিমের দলকে। বাংলাদেশকে মাত্র ১০৮ রানে (১৬.৩ ওভারে) অলআউট করে দিয়ে ২ উইকেটের অবিচ্ছিন্ন জয় ছিনিয়ে নেয় হংকং।


এখন মূল পর্বে খেলার আশা জিইয়ে রাখতে মঙ্গলবার স্বাগতিক ওমানের সাথে জয়ের বিকল্প নেই রিয়াদ, লিটন, সাকিব, মুশফিক ও মোস্তাফিজদের। তারা কী তা পারবেন? সংশয় কিন্তু জেগেছে। আর সে সংশয় জন্ম নিয়েছে বাংলাদেশের দূর্বল আর শ্রীহীন ব্যাটিংয়ের কারণে।


একজন ব্যাটসম্যানও পূর্ণ আস্থা, আত্মবিশ্বাসী নন। একটা আড়ষ্টতা কমবেশি সবাইকে কুঁড়েকুঁড়ে খাচ্ছে। যে কারণে কারো ব্যাটে রান নেই। দলীয় সংগ্রহও তাই কম। ১৪০-১৪১ করতেও নাভিঃশ্বাস উঠে যাচ্ছে। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া এবং নিজিল্যান্ডের বিপক্ষে একবার মাত্র ১৪০ রানে পা রাখতে পেরেছিল। এবার আবুধাবিতে প্র্যাকটিস ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও সেই ১৪০- রানে আটকে থাকতে হয়েছে।