লিটন-মুশফিকের রেকর্ড জুটিতে প্রথম দিন বাংলাদেশের

টি-২০ তে টানা ব্যর্থতার পর অবশেষে ব্যাটে রানের দেখা পেল বাংলাদেশ দল। যদিও একসময় মনে হয়েছি শতক পূরণই কঠিন হবে বাংলাদেশের জন্য। তবে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের রেকর্ড পার্টনারশিপে ৪ উেইকেটে ২৫৩ রানে দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ।

টি-২০র পর টেস্টেও ভুগেছে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের রান ৬৯। উইকেট হারিয়েছে ৪টি। বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন হয় পঞ্চম ওভারেই। শাহিন আফ্রিদির শিকার হন সাইফ হাসান। ১২ বলে তিনি করেন ১৪ রান। দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন হাসান আলী। তিনি ফেরান ১৪ রান করা সাদমান ইসলামকে।

প্রথম দিনই চট্টগ্রামের উইকেটে বলকে লাটিমের মত ঘোরান পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খান। ডান হাতি এই অফব্রেক বোলারের ঘূর্ণিতে ১৯ বলে ৬ রান করে ফিরে যান মুমিনুল হক।

সাজিদ খানের করা ইনিংসের ১৬তম ওভারের প্রথম বলেই ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেয় পাকিস্তান। তাতে দেখা যায়, ব্যাটের কানায় লাগিয়েছেন বল মুমিনুল হক।

পরের ওভারেই উইকেট দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের মিডিয়াম পেসার ফাহিম আশরাফের বলকে খেলতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দেন সাজিদ খানের হাতে। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে আউট দেন। তখন দলীয় রান ছিল মাত্র ৪৯। এরপর ক্রিজে আসা লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম জুটি গড়েন।

তাদের জুটি শত চেষ্টাতেও ভাঙতে পারেননি পাকিস্তানি বোলাররা। ৪১৩ বল খেলে তারা গড়েন ১১৩ রানের পার্টনারশিপ। যা জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে পঞ্চম উইকেটে সর্বোচ্চ। লিটন দাস দাস সেঞ্চুরি তুলে অপরাজিত আছেন ১১৩ রানে। এ জন্য তিনি বল খরচ করেছেন ২২৫টি, মেরেছেন ১১ চার আর একটি ছয়।

অপরদিকে ৮২ রানে অপরাজিত আছেন মুশফিকুর রহিম। ১৯০ বল খেলা এ ব্যাটার মেরেছেন ১০টি বাউন্ডারি। তাদের ব্যাটেই ৮৫ ওভারে টাইগারদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৫৩ রান।