দ্বিতীয় দিনে পাকিস্তান শো

বাংলাদেশ প্রথম দিন নিজেদের করে নিলেও দ্বিতীয় দিনে এসে ছন্দপতন হয়েছে। ১০০ রান না করেই হারিয়েছে শেষ ৬ উইকেট। হাসান আলীর বোলিং দাপটে অলআউট হয়েছে ৩৩০ রানে। সংগ্রহটা মোটামুটি হলেও দ্বিতীয় দিন শেষে অস্বস্তিতে টাইগাররা।

স্বাগতিক বোলারদের নির্বিষ বোলিংয়ের সুযোগ নিয়ে দুই পাকিস্তানি ওপেনার রীতিমত হেসেখেলে ব্যাটিং করলেন, নির্বিঘ্নে পার করলেন দ্বিতীয় দিন।
এর মধ্যে আবিদ আলী সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন। আরেক ব্যাটার শফিক তুলে নিয়েছেন ফিফটি।  

চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৪৫ রান। অপরাজিত থাকা দুই ওপেনারের মধ্যে আবিদ আলী করেছেন ৯৩ রান, সঙ্গী শফিক ব্যাট করছিলেন ৫২ রানে। বাংলাদেশের চেয়ে ১৮৫ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিন ব্যাট করবেন তারা।  

শনিবার (২৭ নভেম্বর) প্রথম দিনে সাদা পোশাকে অভিষেক সেঞ্চুরি হাঁকানো লিটন দাস এদিন দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান। হাসান আলীর বলে এলবির আবেদন উঠলে আম্পায়ার সম্মতি দেননি। তবে রিভিউ নিয়ে ঠিকই লিটনের বিদায় নিশ্চিত করে পাকিস্তান। ডানহাতি এই ব্যাটার ২৩৩ বল খেলে ১১টি চার ও একটি ছক্কায় ১১৪ রানে আউট হন। পঞ্চম উইকেট জুটিতে লিটন ও মুশফিক ৪২৫ বলে ২০৬ রান তোলেন।

এরপর দ্রুতই ফিরে যান অভিষিক্ত ইয়াসির আলী। হাসান আলীর বলে বোল্ড হওয়া এই ব্যাটার ৪ রান করেন। তবে 'নড়বড়ে নব্বইয়ে' মুশফিক বিদায় নিলে অস্বস্তিতে পড়ে বাংলাদেশ। ফাহিম আশরাফের বলে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের কাছে ক্যাচ দেন মুশি। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার ২৩৩ বলে ১১টি চারে ৯১ রান করেন। দলীয় ৩০০ রানের পর তাইজুল ইসলাম আউট হন। শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে আব্দুল্লাহ শফিককে ক্যাচ দেন তিনি। ২৮ বলে ১১ রান করেন এই বাঁহাতি।

বাংলাদেশের শেষ দুই ব্যাটার আবু জায়েদ রাহি (৮) ও এবাদত হোসেনকে (০) বিদায় করে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন হাসান আলী। ডানহাতি এই পেসারের এটি টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবার পাঁচ উইকেট দখল। অন্যপ্রান্তে মেহেদী হাসান মিরাজ ৬৮ বলে ৬টি চারে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তান বোলারদের মধ্যে হাসানের ৫ উইকেট ছাড়াও শাহিন আফ্রিদি ও ফাহিম আশরাফ দুটি করে উইকেট তুলে নেন। সাজিদ খান নেন একটি।