ডাবল হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

নিজেদের মাটিতেই ডাবল হোয়াইটওয়াশের শিকার হলো বাংলাদেশ। টি-২০ তে ৩-০ ব্যবধানে হারের পর টেস্ট সিরিজও হেরেছে ২-০ ব্যবধানে। অথচ সিরিজের শেষ টেস্টে কোনোভাবেই হারা কথা ছিল না বাংলাদেশের।


মিরপুর টেস্টে প্রথম দিন খেলা হয়েছি ৭৩ ওভারের। দ্বিতীয় দিনে মাত্র ৬ ওভার খেলা হয়। আর তৃতীয় দিন একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। এমন ম্যাচেও বাংলাদেশ হেরেছে ইনিংস ও ৮ রানের ব্যবধানে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই বোধয় সবচেয়ে বড় লজ্জার হার।


প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে পাকিস্তান ৪ উইকেটে ৩০০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। পরে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয়। সাজিদ খান একাই নেন ৮ উইকেট। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে টাইগাররা অলআউট হয় ২০৫ রানে। মানে দুই ইনিংস মিলিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ৮ রান কম করে টাইগাররা। এদিও সাজিদ খান নেন সর্বোচ্চ ৪ উইকেট।


অবশ্য বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াই করেছিল। মাত্র ২৫ রানে প্রথম ৪ ব্যাটারকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর প্রতিরোধ গড়েন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। তাদের জুটিতে আসে ৭৩ রান। দলীয় ৯৮ রানের মাথায় ৪৫ রান করে লিটন আউট হলে ভাঙে জুটি।


এর কিছুক্ষণ পর রানআউটের ফাঁদে পড়েন মুশফিকুর রহিম। তিনি করেন ৪৮ রান। এরপর আবার জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান ও মেহেদি মিরাজ। ৭৫তম ওভারে ৭০ বলে ১৩ রান করে মিরাজ আউট হলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। দুই ওভার পর সাকিব বিদায় নেন সাজিদের বলে। তিনি ১৩০ বলে করেন ৬৩ রান। এরপর দলীয় ২০৪ ও ২০৫ রানের মাথায় খালেদ ও তাইজুল ইসলাম আউট হলে ড্রয়ের আশা বিনষ্ট হয়।